
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: শফিকুল ইসলাম শফিক
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ৫ নম্বর বাদাঘাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মো. আব্দুল হেকিমের নাম ঘিরে এলাকাজুড়ে আলোচনা তুঙ্গে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি এখন পরিচিত ও আস্থার একটি নাম।
মো. আব্দুল হেকিম মরহুম হাজী জাল উদ্দিনের সুযোগ্য সন্তান এবং এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও দানবীর মরহুম জয়নাল আবেদীনের ভাতিজা। স্থানীয়ভাবে জয়নাল আবেদীন শিক্ষা, সমাজসেবা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় অনন্য অবদান রেখেছেন। তিনি তাহিরপুর জয়নাল আবেদীন কলেজ, সোহালা এতিমখানা, বাদাঘাট জয়নাল আবেদীন গার্লস স্কুল ও বাদাঘাট আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি টাঙ্গুয়ার হাওর এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং পর্যটকদের প্রিয় গন্তব্য শিমুল বাগান গড়ে তোলার পেছনেও ছিল তাঁর দূরদর্শী উদ্যোগ।
পারিবারিক ঐতিহ্যের দিক থেকেও আব্দুল হেকিম এগিয়ে রয়েছেন। তাঁর বড় চাচা আলহাজ আলাউদ্দিন বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে আব্দুল হেকিম ইতোমধ্যে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, কুশল বিনিময় এবং এলাকার সমস্যা ও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলছেন তিনি। এছাড়া সর্বস্তরের মানুষের মতামত ও প্রত্যাশাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন এই সম্ভাব্য প্রার্থী।
জনসেবা প্রসঙ্গে মো. আব্দুল হেকিম বলেন, "জনসেবাকে আমি দায়িত্ব ও আমানত মনে করি। আমার পরিবার সবসময় অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে থেকেছে। সত্য, ন্যায় ও সততার মধ্য দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই। ইউনিয়নবাসী সুযোগ দিলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য কাজ করব। একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক বাদাঘাট গড়াই আমার স্বপ্ন।"
তিনি আরও বলেন, "আপনাদের দোয়া ও সমর্থন পেলে শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।"
স্থানীয় ভোটারদের মতে, মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত গণসংযোগের কারণে আব্দুল হেকিমকে ঘিরে বাদাঘাটে নির্বাচনী আমেজ জমে উঠেছে। একজন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এখন এলাকার প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।