সুমি সেন
পাঠাগার জ্ঞানের ভাণ্ডার, আলোর দিশারী মহান,
বইয়ের পাতায় লুকিয়ে থাকে সভ্যতারই গান।
শান্ত পরিবেশ, নীরবতা, মনকে করে ধীর,
পাঠাগারে জ্ঞানের আলো জাগে নিরন্তর নীর।
গল্প, কবিতা, উপন্যাস আর বিজ্ঞানের কথা,
ইতিহাসের শিক্ষায় মেলে জীবনেরই ব্যথা।
সংবাদপত্র, সাময়িকী দেয় নতুন দিনের বাণী,
পাঠাগারে জ্ঞান অর্জনে বাড়ে সবার মানি।
বিদ্যালয় আর গ্রামের কোণে গড়ে উঠুক ঘর,
যেখানে জ্ঞানচর্চা হবে প্রতিদিন নির্ভর।
শিক্ষার্থীরা পড়ার মাঝে খুঁজে পাবে পথ,
অজ্ঞতার অন্ধকারে জ্বলবে আলোর রথ।
গ্রন্থাগারিক সাহায্য করে খুঁজে দিতে বই,
শৃঙ্খলারই পরিচয়ে পাঠাগার বড়ই।
সময়মতো বই ফেরানো শিক্ষার সুন্দর রীতি,
নিয়ম মেনে চলার মাঝে ফুটে মানবনীতি।
ধর্ম-বর্ণ ভেদ ভুলিয়ে জ্ঞানের দুয়ার খোলে,
মানুষে মানুষে সংহতির বীজটি মনে তোলে।
দেশ গঠনে পাঠাগারের অবদান অপরিসীম,
গণতন্ত্রের সফলতায় এর মর্যাদা মহিম।
তাই আসুন সবাই মিলে পাঠাগারে যাই,
জ্ঞানচর্চার মহাস্রোতে নিজেদের ভাসাই।
সংস্কৃতির এই কেন্দ্র হোক সমাজের অহংকার,
আলোকিত ভবিষ্যতের প্রেরণা পাঠাগার।
লেখক: প্রধান শিক্ষক, উত্তর গুজরা বিশ্বাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।