|| ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৪শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
মাদক-সন্ত্রাস দমনে কৃতিত্ব, জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি শাহীন মিয়া
প্রকাশের তারিখঃ ১১ মে, ২০২৬
মো: আবদুল কাদের,
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর জেলার এপ্রিল মাসের সামগ্রিক কর্মমূল্যায়নে জেলার পাঁচটি থানার মধ্যে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন । তিনি বর্তমানে -এ দায়িত্ব পালন করছেন। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্প্রতি তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ওসি শাহীন মিয়া অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। রায়পুর থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে প্রতিনিয়ত গ্রেফতার হচ্ছে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চোর-ডাকাত, মাদক কারবারি ও দীর্ঘদিন পলাতক আসামি সহ উদ্ধার করা হচ্ছে অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য। ফলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, গোলাগুলি, চুরি ও ডাকাতির ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মতে, আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে উপজেলার বাজারগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। বিশেষ করে নারীরা গভীর রাত পর্যন্ত নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারছেন, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়নের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। সাধারণ মানুষের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের পরিবেশ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওসি শাহীন মিয়ার নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার হওয়ার পাশাপাশি কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে থানায় সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ, অভিযোগ গ্রহণে আন্তরিকতা এবং নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের কারণে সাধারণ মানুষের আস্থাও বেড়েছে পুলিশের প্রতি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের মতে, জেলার পাঁচটি থানার মধ্যে রায়পুর থানার এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি সিভিল প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা।
তবে অপরাধ দমনে ওসি শাহীন মিয়ার দৃঢ় অবস্থান এবং অনৈতিক সুপারিশ আমলে না নেওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
এদিকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হওয়ায় ওসি শাহীন মিয়াকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সচেতন মহলের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে উপজেলায় শান্তি, নিরাপত্তা ও জনবান্ধব পুলিশিং আরও শক্তিশালী হবে।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.