|| ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৩শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
কমলনগরে চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার
প্রকাশের তারিখঃ ৯ মে, ২০২৬
সিরাজুলইসলাম কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজির মামলায় মো. মিলন (২৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার করইতলা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে চরলরেন্স ইউনিয়নের ৪নাম্বার ওয়ার্ডের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এবং মিলন নিজেকে চরলরেন্স ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দাবি করছেন। এর আগে গত ২০ই এপ্রিল চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বাদি হয়ে মিলনসহ ৫জনের বিরুদ্ধে কমলনগর থানায় মামলা করেন। ওই মামালায় মিলন এক নাম্বার আসামী। অপর আসামিরা হলেন, একই ইউনিয়ন হাফিজ উল্যাহ মান্টুর ছেলে মোশারফ হোসেন (২৭),ওয়াহেদুন নবী বিপ্লবের ছেলে মেজবাহ উদ্দিন রাতুল (২২), ছানা উল্যাহ'র ছেলে আবদুল মন্নান(২০) ও মৃত নুরনবী ছেলে মো. জিহাদ (২০)সহ অজ্ঞাত নামা আরো ১৫ থেকে ২০ জন।
মামলা ও স্থানী সূত্রে জানা যায়, হাসিনা সরকার পতনের মিলন যুদলের প্রভাব বিস্তার করে এলাকার নিরীহ লোকজন থেকে চাঁদাবাজি, সরকারী জায়গা দখল ও করইতলা এলাকার বিভিন্ন স্পটে জুয়ার আসর বসাতেন। ওই জুয়ার আসরসহ বিভিন্ন অপকর্মের ভাগ উপজেলার বড় বড় নেতারাও পেতেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। তবে করইতলা এলাকায় তার সকল অপকর্মের এক জন আশ্রয়দাতা থাকলেও বর্তমান সরকারের ভাবমূতি ক্ষুন্ন হবে মনে করে মামলায় তাকে আসামি করতে দেয়নি উপরের মহলের নেতারা।
এ বিষয়ে মামলার বাদি চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর করইলা বাজারের এক ব্যাক্তির ছত্র ছায়ায় মিলন অনেক অপকর্মে লিপ্ত ছিলো। এতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তার অপর্মে আমাদের দলের ভাবমূর্তি অনেক ক্ষুন্ন হয়েছে। ফলে নিরুপায় হয়ে মামলা করতে বাধ্য হয়ছি।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল আলম বলেন' মামলার প্রধান আসামি মিলনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.