|| ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
মগরাহাটে বিরোধীদের বড়সড় ভাঙন: প্রার্থী সামিম আহমেদের হাত ধরে তৃণমূলে শতাধিক কর্মীর যোগদান
প্রকাশের তারিখঃ ২ এপ্রিল, ২০২৬
বাইজিদ মন্ডল , দক্ষিণ ২৪ পরগনা:
ভোটের দামামা বাজতেই মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ল বাম-কংগ্রেস ও আইএসএফ জোট। উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে উস্থি থানার উত্তর কুসুম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শতাধিক বিরোধী কর্মী-সমর্থক ঘাসফুল শিবিরে যোগদান করলেন। তৃণমূল প্রার্থী সামিম আহমেদের হাত ধরে এই দলবদল সম্পন্ন হয়, যা স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এক নজরে দলবদল কর্মসূচি
উত্তর কুসুম এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু বুধবার সকাল থেকেই চিত্রটা বদলে যায়। মিছিল ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন:
* ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি ইমরান হাসান মোল্লা।
* পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তৌফিক আহমেদ মোল্লা (বাচ্চু)।
* কালিকাপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাদিক হোসেন মোল্লা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া ও লক্ষ্য
তৃণমূল প্রার্থী সামিম আহমেদ নবাগতদের দলে স্বাগত জানিয়ে বলেন,
> "রাজ্যের উন্নয়নের জোয়ারে সামিল হতেই বিরোধীরা আজ তৃণমূলের পতাকাতলে আসছেন। আমাদের লক্ষ্য কেবল প্রচার নয়, বরং সংগঠনকে আরও মজবুত করা। ডায়মন্ড হারবার মডেলের আদলে মগরাহাট পশ্চিমকেও আমরা সাজিয়ে তুলব।"
>
বিরোধীদের অভিযোগ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
এদিকে এই গণ-দলবদলে কংগ্রেস ও বাম শিবিরের অন্দরে অস্বস্তি বেড়েছে। কংগ্রেসের একাংশের দাবি, আদর্শচ্যুত হয়ে কেবল সুযোগ-সুবিধার লোভে এই দলবদল করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং সঠিক নেতৃত্বের অভাবের সুযোগ নিয়েই শাসক দল এখানে জমি শক্ত করেছে।
উপসংহার
ভোটের মুখে এই ভাঙন বিরোধী শিবিরে বড় ধাক্কা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে, তৃণমূল শিবিরের দাবি—এই গণজোয়ারই প্রমাণ করছে যে মগরাহাট পশ্চিমে তাদের জয় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.