|| ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
কালিয়াকৈরে মিথ্যা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
প্রকাশের তারিখঃ ২ এপ্রিল, ২০২৬
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে নিজের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেসার্স চন্দ্রা ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব মো. আকতার হোসেন। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকালে কালিয়াকৈর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আকতার হোসেন দাবি করেন, গত ২৯ মার্চ চন্দ্রা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কলেজের কতিপয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী তাকে জড়িয়ে যে মানববন্ধন করেছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও জমির মালিকানা দাবি:
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৮৭ সালে সরকার তাকে ফিলিং স্টেশনের জন্য ৯৯ বছরের জন্য জমি লিজ প্রদান করে। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৯৭৮/৯১ নং দলিল মূলে জমিটি রেজিস্ট্রি করে দিলে তিনি সেখানে 'মেসার্স চন্দ্রা ফিলিং স্টেশন' প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৬ সালে মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার সময় পাম্পটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি পুনরায় স্থাপনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। কর্তৃপক্ষ ডাইনকিনি মৌজার একই দাগের সমপরিমাণ জমি একটু দক্ষিণে তাকে বুঝিয়ে দেয়।
অভিযোগের বিবরণ:
আকতার হোসেন অভিযোগ করেন, বরাদ্দকৃত জমিতে তিনি প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মাটি ভরাট করেন। কিন্তু পাম্পের নির্মাণকাজ শুরু করতে গেলে চন্দ্রা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কলেজের অধ্যক্ষ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুল রাজ্জাকের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষক তার ওপর চড়াও হন। তিনি বলেন:
"ঐ সময় শিক্ষক আব্দুল রাজ্জাক, সেলিম, পলাশ ও শাহজাহানসহ কয়েকজন আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করেন। প্রয়াত শিক্ষক মরহুম আবু সাঈদ ওই যাত্রায় আমাকে প্রাণে বাঁচান। পরবর্তীতে তারা রাতের আঁধারে ওই জমি টিন দিয়ে ঘিরে ফেলে।"
আইনি পদক্ষেপ:
তিনি আরও জানান, বাধা দিতে গেলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন, যার বিচারিক প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.