|| ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৭ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
সাপাহারে প্রভাবশালী মহলের দখলে জয়দেবপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার পুকুর
প্রকাশের তারিখঃ ৩১ মার্চ, ২০২৬
রতন মালাকার, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার পাতাড়ী ইউনিয়নের জয়দেবপুর গ্রামে অবস্থিত জয়দেবপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার পুকুর জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোঃ আফতাব উদ্দীন জানান, ১৯৮০ সালে জয়দেবপুর গ্রামে ওই মাদ্রাসা স্থাপন করা হয়। মাদ্রাসার সামনে অবস্থিত পুকুরটি মাদ্রাসার নামে ক্রয় করার পর থেকে তা মাদ্রাসা ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন গত ৭ ই মার্চ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মাদ্রাসা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক পুকুরটি পুন সংস্কার করার জন্য ভেকু মেশিন নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় একটি মহল পুকুরের মালিকানা দাবি করে ও মাদ্রাসার প্রধান মোঃ আফতাব উদ্দীনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে পুকুর সংস্কার কাজে বাঁধা প্রদান করে। তাকে মেরে পুকুরে পুতে ফেলার হুমকি দেয়। এ ঘটনার পর স্থানীয় ভাবে ওই পুকুরের দলিল পত্র দেখার জন্য বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। অপর দিকে গত ২৯ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে দশটার দিকে ওই গ্রামের প্রভাবশালী মনিরুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মৃত জার্জিস আলী, শাহাদাত হোসেন (৪০), আব্দুর বাসির(৩৫), উভয় পিতা-মৃত নজরুল ইসলাম, আবুল কাশেম (৪৪), আব্দুল কাফি (৪০), আব্দুল
বারী (৩৫) সর্ব পিতা-মোঃ মুসলিম উদ্দিন, হায়াত আলী (৫০), পিতা-মৃত আব্দুল
হামিদ,দুরুল হুদা (৩৫), পিতা-মোঃ মাহাতাব উদ্দীন, নাইমুল হক (৩৮),
এনামুল হক (৪০), কারিম (৩৫), সর্ব পিতা-মৃত আঃ সামাদ, সর্ব
মোঃ সৈয়বুর রহমান (৩৭), পিতা-মোঃ মোজাম্মেল হক,,ফারুক হোসেন (৪০),
পিতা-মোঃ আঃ করিম, মানল হক (৪৫), পিতা-মৃত মকবুল হোসেন, মফিজুল ইসলাম (৪৫)
পিতা-মৃত মারজন আলী, আঃ রশিদ (৬০), পিতা-মৃত মেসের আলী, সর্ব সাং-জয়দেবপুর,
থানা-সাপাহার,জেলা-নওগাঁগণ পরস্পর যোগসাজসে জয়দেবপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ওই পুকুরে অনধিকার প্রবেশ করে জোরপূর্বক জবর দখল করার লক্ষে মোটর দিয়ে পুকুরে পানি ভর্তি করে মাছের পোনা ছেড়ে দিয়েছে। মাদ্রাসা সুপার মোঃ আফতাব উদ্দীন ঘটনার দিন বিকেলে আইনগত সহায়তা চেয়ে স্থানীয় থানায় জড়িতদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। উল্লেখ্য যে ঘটনার পর থেকে সংঘবদ্ধ দখলদার চক্র ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি,শিক্ষক কর্মচারী এবং এলাকাবাসীর মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রতিপক্ষের আবুল কাসেম জানান দাখিল মাদ্রাসার বিল বেতন যখন ছিলোনা তখন গ্রামবাসী তাদের কে ওই পুকুর ভোগদখলের জন্য দিয়েছিল এখন তারা সরকারি ভাবে বিল বেতন পাচ্ছে। অপর দিকে গ্রামের হাফেজিয়া মাদ্রাসাটি চলে খুব কষ্টে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ও মাদ্রাসার দালান ঘর নির্মান ব্যায় করতেই গ্রামের লোকজন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনারুল ইসলাম জানান এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পত্র পাওয়া গেছে আইনশৃংখলা সমুন্নত রাখতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.