|| ৯ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২০শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
মহান ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
প্রকাশের তারিখঃ ৮ মার্চ, ২০২৬
মকবুল হোসেন,
ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের সাথে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আজ ৮ মার্চ রবিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান। এছাড়াও ময়মনসিংহের বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের অন্যান্য সকল দপ্তরের দপ্তরপ্রধানগণ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক কালো রাত। এদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে ঢাকায় এক হত্যাযজ্ঞ চালায়। দিবসটি আমাদের জন্য শোকাবহ।দিবসটি যথাযথভাবে উদযাপন ও তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে প্রতি বছর একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়।
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে আলোকসজ্জা বর্জন করতে হবে। রাত ১০:৩০টা থেকে ১০:৩১টা পর্যন্ত ০১ মিনিট সারাদেশে একযোগে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালন করা হবে। এছাড়াও দোয়া ও মোনাজাত, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন সুবিধাজনক সময়ে সম্পন্ন করতে হবে।
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে ভোর ০৫:৫৬ মিনিটে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে তোপধ্বনির সাথে পতাকা উত্তোলন ও ময়মনসিংহে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং আবাসিক ভবনে যথানিয়মে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে। এরপর সকাল ০৮:০০টায় জেলা স্টেডিয়ামে কুজকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১১:০০টায় টাউনহলে অবস্থিত তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়েছে। বিকাল ০৩:০০টায় সার্কিট হাউজ মাঠে মুক্তিযোদ্ধা ও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও শিল্পকলা একাডেমি রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে।
সভাপতি বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জন্য উদযাপনের নয়, শোকের দিন। প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে আলোচনা সভা আয়োজন করতে হবে। আজ থেকে ১০ বছর পর হয়তো কোনো মুক্তিযুদ্ধ নাও বেচে থাকতে পারেন। তাই শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধান অতিথি/আলোচক হিসেবে আমন্ত্রণ জানাতে হবে। এছাড়াও ডিসপ্লে ও প্রদর্শনীতে গতানুগতিক ধারা থেকে বের হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত কিভাবে পোর্টেট করা যায়, সে চেষ্টা করতে হবে। এদিন সারাদিন বিনোদন কেন্দ্র ও সিনেমা হলগুলো দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা যথাযথ মর্যাদায় ভালোভাবে দিবসটি পালন করতে চাই।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.