|| ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
সংবাদ প্রকাশের পরও উন্নয়নের অপেক্ষায় শীল পরিবারের নাপিতরা
প্রকাশের তারিখঃ ৭ মার্চ, ২০২৬
মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
সম্প্রতি বিরামপুর হাট-এর বেলতলায় ফুটপাতে বসে নাপিতগিরি পেশায় জীবিকা নির্বাহ করা শীল পরিবারের জীবনসংগ্রাম নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে এখনো পর্যন্ত তাদের কর্মস্থলের পরিবেশ উন্নয়নে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানা যায়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফুলবাড়ী উপজেলার খয়েরবাড়ী এলাকার পরিমল শীল, বিকাশ শীল, বিষু শীল ও শিশির শীলসহ বেশ কয়েকজন প্রতি সপ্তাহের ২ দিন শনিবার ও মঙ্গলবার হাটের দিন করে আসেন। তাঁরা প্রায় ১৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বিরামপুর হাটে এসে চুল-দাড়ি কাটার সেবা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন যুগের পর যুগ ধরে। কেউ বেলতলায় নির্দিষ্ট জায়গায়, আবার কেউ ফুটপাতে বসেই এ সেবা প্রদান করেন।
তাঁরা জানান, সংবাদ প্রকাশের পরও কর্মস্থলের পরিবেশ কিছুটা উন্নত হলে তাদের জন্য কাজ করা আরও সহজ হতো। বর্তমানে খোলা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে কাজ করতে হওয়ায় অনেক সময় ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।
স্থানীয়রা জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঐতিহ্যবাহী বিরামপুর পশুর হাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক মানুষ আসেন। তাদের মধ্যে অনেকেই স্বল্প খরচে চুল ও দাড়ি ছাঁটার জন্য বেলতলায় বসা এসব নাপিতের সেবা গ্রহণ করেন।
এলাকাবাসীর মতে, যদি তাদের বসার স্থানটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত করা যায়, তাহলে সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতা উভয়ের জন্যই পরিবেশটি আরও সুবিধাজনক হবে।দীর্ঘদিন ধরে পেশাটি ধরে রাখা এসব প্রান্তিক শ্রমজীবী মানুষের জন্য একটি স্বাস্থ্যসম্মত ও নির্দিষ্ট কর্মস্থল নিশ্চিত করা গেলে তাদের জীবিকা নির্বাহ আরও সহজ হবে।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.