|| ৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ১৯শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই বোটসহ ১১ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী
প্রকাশের তারিখঃ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
হুসাইন ইসলাম রাফিত, তেরখাদা সংবাদদাতাঃ
দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সমুদ্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নৌবাহিনী নিয়মিত টহল পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার (১৭-০২-২০২৬) সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর হতে ৭৪০ বস্তা সিমেন্টসহ একটি ইঞ্জিন চালিত বোট এবং ১১ জন চোরাকারবারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
সমুদ্রপথে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে সিমেন্ট মায়ানমারে পাচার পরিকল্পনার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ সময় টহল কার্যে নিয়োজিত থাকাকালীন বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ ‘প্রত্যাশা’ সেন্টমার্টিন বাতিঘর হতে ৩১ মাইল দূরে সন্দেহজনক বোট দেখতে পায়। নৌবাহিনী জাহাজ বোটটি তল্লাশির লক্ষ্যে থামার সংকেত প্রদান করলে, তারা পালানোর চেষ্টা করে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ প্রত্যাশা ধাওয়া করে ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামক বোটটি আটক করে। আটককৃত বোটটি তল্লাশি করে ৭৪০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট জব্দ করা হয়। এ সময় চোরাকারবারী দলের ১১ জন সদস্যকেও আটক করা হয়। আটকৃত ব্যক্তিদের সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৬০০ ঘটিকায় বোটটি চট্টগ্রামের ফিশারী ঘাট হতে যাত্রা করে সন্দ্বীপ চ্যানেলের জোড়াবয়া এলাকায় গমন করে। সেখান হতে ৭৪০ বস্তা সিমেন্ট লোড করে অধিক মুনাফা লাভের আশায় মায়ানমারের সীতা এলাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে জব্দকৃত মালামাল ও আটকৃত ব্যক্তিদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌবাহিনীর ফরোয়ার্ড বেইজ সেন্টমার্টিনে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস, মাদক চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে নৌবাহিনীর অভিযান ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.