|| ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২১শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শ্বশুর, দেবরের অত্যাচার ও স্বামীর পরর্কীয়ার থেকে মুক্তির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
প্রকাশের তারিখঃ ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি,,।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্ব ভান্নারা এলাকায় শ্বশুর, দেবরের অত্যাচার ও স্বামীর পরর্কীয়ার জেরে শিউলী আক্তার নামে এক নারী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার সকালে সফিপুর বাজার এলাকায় শিউলী আক্তার ওই সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিউলী আক্তার বলেন, আমার সাথে এক লাখ টাকা দেনমহরা ধার্য করে আলমাছ শেখের সাথে আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে তাদের বাড়ীতে উঠাইয়া নেয়। ঘর সংসার করা অবস্থায় তাদের স্বর্নালংকার ও আসবাবপত্র প্রদান করি।
পরবর্তীতে আমার পিতার বাড়ী থেকে বাড়ী করার সময় ১৫ লাখ টাকা প্রদান করি। ভান্নারা এলাকায় দোতালা বিলডিং নির্মান করে নির্মানাধীন বাড়ী রেখে বিদেশ চলে যায়। আমার স্বামী বিদেশ যাওয়ার পর আমার শ্বশুর ও দেবর ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে যৌতুকের জন্য মারপিট করে। আমাকে নানাভাবে হয়রানী করে আসছে। বিষয়টি নিয়ে আমি গাজীপুর আদালতে মামলা করি। এর আগে আমি শ্বশুর বাড়ী থেকে চলে আসার কারন আমার ছোট দেবর সানোয়ার আমাকে অনেক খারাপ কথা ও কুপ্রস্তাব দেয়। তাই আমি বাড়ী ছেড়ে চলে আসি। তারা আমার ওই বাড়ী আধাআধি আমার নামে লিখে দিবে কিন্তু লিখে না দিয়ে প্রতারনা করছে। তিনি বিদেশ চলে যায়।
পরে আমার দেবরের কুপ্রস্তাবে রাজী না হওয়ায়ই আমার নামে খারাপ কথা বলে উল্টাপাল্টা বুজিয়ে আমার ফোনে একটি ভুয়া ডির্ভোস কাগজ পাঠায়। এর আগে আমার স্বামী আমার বাড়ীর ভাড়াটিয়া মহিলা আয়েশার সাথে পরকিয়া করে। তারা আমার কাছে তার বাপ ভাইকে পাঠায় ৫লাখ টাকা নিতে পাঠায়। আমি না দেওয়াতে আমাকে অত্যাচার করে। তারা বিভিন্ন সময় বহিরাগত লোক দিয়ে হুমকী দিয়ে আসছে। গত ১৭-১২-২৫ইং তারিখে সানোয়ার আমার বাসায় পুলিশ নিয়ে আসে। বলে আপনরারা বাসায় থাকতে পারবেননা। মহিলা পুলিশ দিয়ে বের করে দিবে বলে হুমকী দেয়।অথচ আমি এ পর্যন্ত কোন ডির্ভোস কাগজ পাই নাই। আমার প্রতি অবিচার ও অন্যায় করা হচ্ছে । আমি এর প্রতিকার ও বিচার চাই।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.