|| ১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২২শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
আন্দোলনে গিয়ে শিক্ষিকা ফাতেমার মৃত্যু
প্রকাশের তারিখঃ ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
চাঁদপুর মতলব উত্তরের প্রতিনিধি,,।
ঢাকায় ১০ম গ্রেডের শিক্ষকদের আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তার (৪৫)।
গত ৮ নভেম্বর সমাবেশের এক পর্যায়ে হঠাৎ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ হলে তিনি প্রচণ্ড আতঙ্কে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন।পরে ঘটনাস্থলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেদিন থেকেই শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ চিকিৎসা-লড়াই, যার শেষ হলো আজ।
রবিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় তিনি মিরপুর অলক হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তাঁর মৃত্যুতে শিক্ষা অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক।
ফাতেমা আক্তার মতলব উত্তরের ঘনিয়ারপাড় গ্রামের ডাঃ সুরুজ মোল্লার মেয়ে । ঠাকুরচর গ্রামের ডিএম সোলেমান এর স্ত্রী। তিনি দু’সন্তানের জননী, এক ছেলে ও এক মেয়ে। তাঁর শ্বশুর শফিকুর রহমান ঢালী ছিলেন আলোকিত শিক্ষক। দক্ষিণ ব্যাসদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ।
ফাতেমা আক্তার শিক্ষকতা জীবনে ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী।ইডেন মহিলা কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে বিএসসি (সম্মান) ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।
মতলব উত্তরের শিক্ষকরা জানান, ফাতেমা আক্তার আন্দোলনের দিন শহীদ মিনারের সামনেও সক্রিয় ছিলেন। গ্রেনেড সাউন্ডের পর থেকেই তিনি প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কয়েকদিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছেন।
রবিবার বাদ মাগরিব ঠাকুরচর গ্রামে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.