|| ২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১১ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু জন্মদিন
প্রকাশের তারিখঃ ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
*বাইজিদ মন্ডল ডায়মন্ড হারবার:-*
শিশু দিবস উপলক্ষে এতিম অসহায় শিশুদের সঙ্গে কেক কেটে পালন করা একটি সুন্দর উদ্যোগ, যা তাদের আনন্দ দিতে এবং বিশেষ অনুভূতি দিতে সাহায্য করে। তাই সেই এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধান মন্ত্রী পন্ডিত জহরলাল নেহেরু জন্মদিনে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার দলীয় পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ ডায়মন্ড হারবার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও রাম রাম পুর ইট ভাটায় দুঃস্থ অসহায় শিশুদের সঙ্গে কেক কেটে শিশু দিবস উদযাপন করেন। এই ধরনের অনুষ্ঠানে সাধারণত এতিম শিশুদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটা একটি প্রচলিত এবং আনন্দদায়ক রীতি। কেকের সাথে মিষ্টি এবং অন্যান্য খাবার বিতরণ করা হয়, যা শিশুদের আনন্দিত করে। শিশুদের দিনটিকে আরও বিশেষ করে তুলতে তাদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং তাদের কথা শোনা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিশেষ কর্মসূচি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরুর জন্মদিনে ও শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে,আর সেই শিশুদের আনন্দ ভাগ করে নিতে সকালে কেক ও মিষ্টি নিয়ে ছুটে যায় ডায়মন্ড হারবার দলীয় পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ,সঙ্গে ছিলেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার বিধায়ক পান্নালাল হালদার,ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার মহিলা সভানেত্রী মনমোহিনী বিশ্বাস,দুই নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি,এক নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গৌতম অধিকারী,পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাস,এক নম্বর ব্লকের সভাপতি সভাপতি সন্দ্বীপ সরকার,টাউন সভাপতি সৌমেন তরফদার,যুব সভাপতি পুস্পেন্দু মন্ডল,এক নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি মিজানুর রহমান সহ স্থানীয় দলীয় সকল নেতৃত্বরা।
এদিন কেক কেটে নিজে ইটভাটায় এতিম দরিদ্র পরিবারের শিশুদের খাইয়ে দেন তিনি। সামিম আহমেদ তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দিবসে উৎসব করতে পারি। কিন্তু যাদের দুনিয়ায় কেউ নেই,এবং এতিম দরিদ্র পরিবারের শিশুরা তাদের তেমনটা অর্থ নেই যে ধুম ধাম করে জন্মদিন উদযাপন করবে। তাদের তো মনে কোনো আনন্দ নেই।
এতিমরা সব আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকে। তাই জন্মদিনের আনন্দ টুকু এতিমদের মাঝে উৎসর্গ করলাম,তাদের নিয়ে কেক কেটে জন্মদিন পালন করলাম। পাশাপাশি সকল শিশুদের হাতে স্কুল সামগ্রী তুলে দেওয়ার পাশাপাশি দুপুরের তাদের আহারের ব্যবস্থা করেন,এতে খুশি শিশুরা।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.