|| ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
রাউজানে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে শাকসবজির বীজ-সার বিতরণ
প্রকাশের তারিখঃ ৯ অক্টোবর, ২০২৫
যীশু সেন :
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বসতবাড়ি ও মাঠে চাষযোগ্য শাকসবজির বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার, ৮ অক্টোবর সকাল ১১টায় রাউজান কৃষি বিভাগীয় প্রশিক্ষণ হলে আয়োজিত এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিসান বিন মাজেদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুম কবির এবং সঞ্চালনায় ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার সুশীল। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনিসুল মোস্তফা, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা তপন চন্দ্র সেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শিবু শংকর দে, মোঃ নাজিম উদ্দীন, সিকু কুমার বড়ুয়া এবং ইমরান হোসেন। এছাড়াও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে কৃষকদের মাঝে সরকারের প্রণোদনার এই সহায়তা কীভাবে কৃষিতে উৎসাহ জোগাবে তা তুলে ধরেন। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বসতবাড়ি এবং পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনা প্রয়োজন। এই ধরনের প্রণোদনা কৃষকদের আগ্রহ ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
আলোচনা শেষে উপজেলার মোট ১০৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে শাকসবজির বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৩৫০ জন কৃষককে উফসী সবজির বীজ ও সার, এবং ৭০০ জন কৃষক-কৃষাণীকে হাইব্রিড বীজ ও সার প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও জিসান বিন মাজেদ বলেন- “উপজেলার যেসব জমি বর্তমানে পতিত রয়েছে, সেসব জমিতে কৃষি অফিসের সহযোগিতায় শাকসবজি চাষ করা গেলে তা যেমন পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মেটাবে, তেমনি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ারও সুযোগ তৈরি করবে।” তিনি কৃষকদের উৎসাহ দিয়ে বলেন, "সরকার কৃষকদের পাশে আছে। তাই কেউ যেন জমি পতিত না রাখে।"
তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই। তাই কৃষি কাজে সবাইকে সম্পৃক্ত হয়ে উৎপাদন বাড়াতে হবে।"
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.