|| ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
পণ্ডিত বিজন কুমার চৌধুরীর স্মরণে আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতানুষ্ঠান
প্রকাশের তারিখঃ ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
যীশু সেন, প্রতিনিধি :
আনন্দী সঙ্গীত একাডেমি আয়োজিত পণ্ডিত বিজন কুমার চৌধুরীর স্মরণে দুই দিনব্যাপী “উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত সমারোহ–২০২৫” চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনস্টিটিউট (টিআইসি)-তে অনুষ্ঠিত হলো ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর, সোমবার ও মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬.১৫টা থেকে।
প্রথম দিন: ২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন খ্যাতিমান মোহনবীণা শিল্পী দোলন কানুনগো। সভাপতিত্ব করেন অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক দোলন দেব।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পপতি ও সংগীতশিল্পী রিয়াজ ওয়ায়েজ এবং আৰ্য্য সঙ্গীত সমিতির উপাধ্যক্ষ শিল্পী মৃণালিনী চক্রবর্ত্তী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ সেন। বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব শান্তা চৌধুরী।
দ্বিতীয় দিন: ২৩ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির সভাপতি বিশুতোষ তালুকদার এর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার মাহমুদ আয়াজ মাবুদ, আৰ্য্য সঙ্গীত সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ সেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন তূর্ণা বড়ুয়া।
উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতানুষ্ঠানে পরিবেশনায়
অংশগ্রহণ করেন রোজী সেন (সেতার),
রাজীব দাশ ( কণ্ঠ), রাসেল দত্ত (বাঁশি) , অপরাজিতা চৌধুরী (বেহেলা), নারিন নাওয়াল (কণ্ঠ), আনন্দী সেন (কণ্ঠ) শ্রোতাদের মোহিত করেন। তবলায় রাজীব চক্রবর্তী, সুশান্ত কর চৌধুরী ও অমিত চৌধুরী দীপ্ত অসাধারণ দক্ষতায় সঙ্গত করেন। নৃত্যশিল্পী প্রমা অবন্তীর ওড়িশী ডান্স এন্ড টেগোর মুভমেন্ট পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধতা অর্জন করে।
বিশেষ আকর্ষণ ছিল আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির শিক্ষার্থীদের সম্মেলক তবলা লহড়া পরিবেশনা এবং সুরসপ্তক সঙ্গীত বিদ্যাপীঠের সম্মেলক পরিবেশনা। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতানুষ্ঠান পরিচালনায়
বক্তারা বলেন - পণ্ডিত তবলাগুরু বিজন কুমার চৌধুরী ছিলেন তবলা সঙ্গীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর তালিম, নিষ্ঠা ও সৃষ্টি আজও শিল্পীদের অনুপ্রেরণা যোগায়। গুরুজীর অবদান চিরস্মরণীয়।
সঙ্গীতজগতের এই অপূরণীয় ক্ষতি পূরণ হবার নয়। প্রয়াত পণ্ডিত বিজন কুমার চৌধুরীর অসামান্য সঙ্গীত সাধনা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, বক্তারা তাঁর নামে একুশে পদক প্রদানের জোর দাবি জানান।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.