|| ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
জমি দখলে বাধা দেওয়ায় কালিকাপুর ইউপির ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শহীদ তালুকদারের নেতৃত্বে হামলায় ৩ জন আহত
প্রকাশের তারিখঃ ২৮ আগস্ট, ২০২৫
সুভাস দাস,,।
জমি দখলের প্রতিবাদ করায় পটুয়াখালীতে এক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির নেতৃত্বে তিনজন মারধরের শিকার।
হাসপাতাল ও সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার আনুমানিক সকাল সাড়ে নয়টার সময় পটুয়াখালী বোতলবুনিয়া স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ও তার স্ত্রী এবং প্রতিবন্ধী ভাতিজা উক্ত নেতার নেতৃত্বে হামলার শিকার হয়।
আহতরা হলেন, শিক্ষক শামসুল ইসলাম ( শামসুল হক তালুকদার) (৫৫) , তার স্ত্রী মিরজাহান (৩৬),ও শিক্ষকের ভাতিজা শফিকুল ইসলাম (১৪) ।
এ রিপোর্টের লেখা পর্যন্ত জানা গেছে উক্ত আহত তিন ব্যক্তি পটুয়াখালী সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং এ বিষয়ে মামলা দায়েরের জোড় প্রস্তুতি চলছে।
সূত্রে আরও জানা গেছে,আহত ও জবরদখলকারীরা পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন কালিকাপুর ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড বহোলগাছিয়া গ্রামের নাগরিক।
এদিন কালিকাপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র সভাপতি শহীদ তালুকদারের নেতৃত্বে ইব্রাহিম (২৮ ), আবু বক্কর (২৬) , উভয় পিতা মোতালেব হাওলাদার, মোতালেব হাওলাদার, (৫৮)পিতা মৃত কাদের হাওলাদার ও কোহিনুর বেগম (৫০ )স্বামী মোতালেব হাওলাদার
বহল গাছিয়া ৪ নং ওয়ার্ড পটুয়াখালী ।
উক্ত আহতদের জমিতে তাদের স্থাপনকৃত সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলতে গেলে আহতরা বাধা দেওয়ায় উপরোক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় ও লাঠি সোটা নিয়ে তাদের কে বেধড়ক মারধর করে বলে জানা যায়।
পটুয়াখালী বোতল বুনিয়া স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক শামসুল ইসলাম ( শামসুল হক তালুকদার) বলেন আমাদের জমিতে ২৬ শে আগস্ট রোজ মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক সাড়ে নটার দিকে কালিকাপুর ৫ নাম্বার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শহীদ তালুকদারের নেতৃত্বে ইব্রাহিম আবু বক্কর পিতা মোতালেব হাওলাদার, এবং মোতালেব হাওলাদার নিজে ও তার স্ত্রী কোহিনুর বেগম লোকজন নিয়ে আমাদের জমির সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলে তাদের নূতন সাইনবোর্ড বসায় বিষয়টি তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা আমার উপর ও আমার স্ত্রী এবং প্রতিবন্ধী ভাতিজার উপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়।
তাদের হামলায় আমরা আহত হয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছি ।
এ বিষয়ে জানতে কালিকাপুর ইউনিয়ন বিএনপি'র ৫ নং ওয়ার্ডের সভাপতি শহীদ তালুকদারের মুঠো ফোনে কল দিলে প্রতিবার তার ফোন কল ব্যস্ত পাওয়া যায় । এজন্য তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এছাড়াও হামলাকারী অন্যান্যদের মোবাইল ফোন নাম্বার সংগ্রহ করা যায়নি এবং সরজমিনে গিয়ে তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি ।
এজন্য তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি ।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.