|| ৯ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২০শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
উলিপুরের ফুলবাবু দাসের পরিবারের পাশে দাড়ালো বায়ান্নর আলোর প্রকাশক আব্দুস সোবহান।
প্রকাশের তারিখঃ ১০ আগস্ট, ২০২৫
মোঃ হামিদুল ইসলাম
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নার্স ও চিকিৎসকের অবহেলায় গত ৩০শে জুলাই রাত ১১টায় মারা যান উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণী ইউনিয়নের নাওডাঙ্গা গ্রামের সুখ চরণ দাসের পুত্র ফুলবাবু দাস।
এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও দৈনিক বায়ান্নর আলো পত্রিকা সহ বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে সমালোচনার ঝড় উঠে।অমানবিক এই বিষয় টি বায়ান্নর আলোর পত্রিকার প্রকাশকের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।পরে ফুলবাবু দাসের পরিবারের পাশে দাড়ানোর ঘোষণা দেন।এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার ১০ই আগস্ট সকাল ৭:৩০টা সাফা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বায়ান্নর আলো পত্রিকার প্রকাশক আব্দুস সোবহান ধামশ্রেণী ইউনিয়নের নাওডাঙ্গা গ্রামে ফুলবাবু দাসের বাড়িতে যান।আব্দুস সোবহান কে কাছে পেয়ে ফুলবাবু দাসের বৃদ্ধ বাবা মা আবেগ আপ্লূত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন,এসময় আব্দুস সোবহান তাদের বুকে নিয়ে সান্তনা দেন।ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রাণ বাবা মা একদম দিশেহারা।পরিবারের উপার্জক্ষম সন্তানকে হারিয়ে অধিক সুখে কাতর হয়ে গেছেন ফুলবাবুর বাবা মা।ফুলবাবুর বাবা মা যে ঘরটি তে থাকেন সেই ঘরের টিনও ছেদা হয়ে গেছে,একটু বৃষ্টি হলেই ঘরের চাল ফুটো দিয়ে পানি পড়ে।তাদের এহেন দুর্দশা দেখে ঘরের চাল ঠিক করার জন্য তিনি নিজ অর্থায়নে দুই বান্ডিল টিন প্রদান করেন।পাশাপাশি উলিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নয়ন কুমারের কাছে ওই পরিবারের করুণ পরিণতির কথা তুলে ধরলে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নয়ন কুমার ভুক্তভোগী পরিবার কে দুই বান্ডিল টিন ও নগদ ছয় হাজার টাকা দেওয়া হবে বলে নিশ্চত করেন।এছাড়াও মাদকের করাল গ্রাস থেকে কিশোর সমাজ কে রক্ষা করতে খেলাধূলায় তাদের ব্যস্ত রাখতে ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের ৫ নং ও ৯নং ওয়ার্ডে ৫ টি ফুটবল বিতরণ করেন।
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুস সোবহান বলেন আমার এই অগ্রযাত্রা চলমান থাকবে।আমার উলিপুর উপজেলার একজন মানুষও যেন বিনা চিকিৎসায় মারা যায় সেই ব্যবস্থাই করবো।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.