|| ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৭শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
জমি দখল, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির
প্রকাশের তারিখঃ ৭ আগস্ট, ২০২৫
রবিউল আলম ,গাজীপুর প্রতিনিধি:

জমি দখল, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে পুলিশের শরণাপন্ন প্রবীণ নাগরিক গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানাধীন বিন্দান মৌজায় নিজের মালিকানাধীন ৬ একরেরও বেশি জমিতে জাল দলিল তৈরি করে দখলের চেষ্টা, ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ৬৮ বছর বয়সী প্রবীণ নাগরিক নেপাল চন্দ্র চক্রবর্তী।
গত ৩ আগস্ট গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পুলিশ কমিশনার বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিন্দান মৌজায় ৬ একর ১২ শতাংশ জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে ছিলেন তিনি। জমিগুলো গাজীপুর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের নামজারি ও জমাভাগের যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। তিনি নিয়মিত সরকারি খাজনাও পরিশোধ করতেন।
অভিযোগে তিনি জানান, হঠাৎ করে ১ নম্বর বিবাদী বাসির আহম্মেদ তিনজন ব্যক্তির নামে জাল দলিল তৈরি করে জমির মালিকানা দাবি করেন। তিনি জমিতে গেলে বা অন্যত্রে জমি বিক্রির উদ্যোগ নিলে ওই ব্যক্তি এবং তার সহযোগীরা বাধা প্রদান করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। একাধিকবার বসার প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিবাদীরা কোনো কাগজপত্র দেখাননি বলে অভিযোগকারী দাবি করেছেন।
নেপাল চন্দ্র চক্রবর্তীর অভিযোগ, গত ২ আগস্ট বিকাল ৪টার দিকে ১নং বিবাদী বাসির আহম্মেদ, মোঃ আব্দুল, জসিম, ফালান চন্দ্র মন্ডল এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন মিলে তার জমিতে স্থাপিত চারটি সিমেন্টের পিলার এবং মালিকানা সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে। এতে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয় বলে তিনি দাবি করেন।
লোকমুখে ঘটনার খবর পেয়ে জমিতে গিয়ে তিনি ঘটনার সত্যতা পান। বর্তমানে বিবাদীদের হুমকির কারণে তিনি জমি ভোগদখল করতে পারছেন না বলেও অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনার পরই তিনি থানায় এসে অভিযোগ করেন। জমির বিস্তারিত তফসিলসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, জমি সংক্রান্ত বিরোধ গাজীপুর অঞ্চলে একটি অন্যতম সামাজিক সমস্যা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে চিহ্নিত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঠিক তদন্ত ও দ্রুত পদক্ষেপে এ ধরনের অভিযোগগুলোর যথাযথ সমাধান নিশ্চিত হওয়া জরুরি বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.