|| ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
রাস্তার পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধ থাকায় আম বাগানে ক্ষতির সম্ভাবনা
প্রকাশের তারিখঃ ২৮ জুলাই, ২০২৫
রতন মালাকার, সাপাহার(নওগাঁ)প্রতিনিধি:
নওগাঁর সাপাহার উপজেলা সদরের অদুরে প্রত্যেকটি মেন রাস্তার নালা পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় প্রায় ১০০০ বিঘা জমির আমবাগানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
আমের বানিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত এ উপজেলার প্রত্যেকটি মেইন রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা দখল ও মাঠের পানি নিষ্কাশনের নালা গুলো ভরাট করে সেখানে আমের আড়ত ঘর নির্মান করার ফলে বর্তমান বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে গিয়ে মাঠের আম বাগানে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সদর থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার পশ্চিমে সাপাহার খন্জনপুর পাকা সড়কের উত্তর পাশে মহিলা হাফেজিয়া মাদরাসার পিছনের মাঠ জুড়ে প্রায় শতাধীক বিঘা জমির আমবাগানে বৃষ্টির পানি জমে আছে। উত্তরে ফুটকইল,খেড়ুন্দা,কুচিন্দা গ্রামের পানি যুগযুগ ধরে এক মাত্র ওই মাঠ দিয়ে নিস্কাশন হতো। চলতি বছর ওই সড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সরকারী জায়গা জবর দখল করে পানি নিষ্কাশনের নালা ভরাট করে স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী মহলের লোকজন প্রায় ২০/২৫ টি আমের আড়ত নির্মান করেছে। যে কারনে মাঠের পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে গেছে।
উল্লেখিত সমস্যা সমাধানে জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করে উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হাবিবুর রহমান এলাকার ভুক্তভোগী আমবাগান মালিকদের পক্ষে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে আবেদন করেছেন।
তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন যে খন্জনপুর রোডের মহিলা মাদ্রাসার পাশ দিয়ে মেইন রাস্তা সংলগ্ন একটি সরকারি নালা ছিল। যা দিয়ে যুগযুগ ধরে বর্ষাকালে মাঠের
পানি নিষ্কাশন হতো। কিন্তু সিএন্ডবির জায়গা ভরাট করে পরিকল্পিত ভাবে আড়তঘর নির্মাণ করায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ওই মাঠের প্রায় ১০০ বিঘা জমির আমগাছ বর্ষার পানিতে প্লাবিত হয়ে আছে। ফলে চলতি মৌসুমে আম বাগান মালিককগণ বাগানের পরিচর্যা করতে পারছেনা। এলাকাবাসী তদন্ত সাপেক্ষে সড়কের পাশের নালা দখল মুক্ত করে পুনরায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা চালু করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.