|| ১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ || ২৫শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
পটুয়াখালী ছোট আউলিয়াপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসত ঘরে ঢুকে সন্ত্রাসী হামলায় আহাত- ৭
প্রকাশের তারিখঃ ১৯ জুন, ২০২৫
সুভাস দাস পটুয়াখালী।
পটুয়াখালী ছোট আউলিয়াপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ১১:০৬:২৫ তারিখ রোজ বুধবার ভোর রাতে
বসত ঘরে ভিতরে ঢুকে , ১৫ থেকে ১৬ জন সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। এবং গরু ক্রয় করার জন্য ঘরে নগদ ৫০,০০০ হাজার টাকা ও মীমের গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়, ঘরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও জমি জমার দলিল সহ বিভিন্ন জিনিস পত্র নিয়ে যায়।
এতে আহত হন ওই পরিবারের সাতজন সদস্য তাদের বাসায় একজন অতিথি ছিলেন ।
অতিথি মোসাম্মৎ হেলেনা বেগম বলেন, আমি বাসার অন্য রুমে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম , যখন ঘরের ভিতরে ডাক চিৎকার শব্দ শুনতে পাই তখন আমি রুম থেকে বেরিয়ে আসি তখন দেখি ১৫ থেকে ১৬ জনের মত একদল সন্ত্রাসী বাসার ভিতরে ঢুকে যাকে পাচ্ছেন তাকেই কুপিয়ে, পিটিয়ে রক্তাক্ত করেন , আমি তাদেরকে বাধা দিতে গেলে তারা লাঠি দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করেন , এতে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই, যখন আমার জ্ঞান ফিরে তখন আমি দেখি সবাই রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। ঘরের জিনিসপত্র সবকিছু এলোমেলো।
তখন আমার ডাক চিৎকার শুনে পাড়া প্রতিবেশী এগিয়ে আসেন।
তারপরে স্থানীয় লোকজ আমার সাথে সাহায্য করেন, তাদের সহযোগিতায় আমি ওই পরিবারের সাতজন লোক পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই , এদের মধ্য চারজন গুরুতর আহাত 'রা হলেন ১/ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন হাওলাদার ২/ মোঃ রিপন হাওলাদার ৩/ মিম আক্তার ৪/ আলমগীর হাওলাদার এদের কে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন কর্তাব্য রত চিকিৎসক ।
বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ১৭/০৬/২৫ তারিখ রোজ মঙ্গলবার, রিপন হাওলাদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন ।
ভুক্তভোগী রিয়াজ হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন আমি যখন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকি তখন আমি পানি, পানি বলে কান্নাকাটি করতেছি তখন সন্ত্রাসী মোনাসেফ হাং আমার মুখে প্রস্রাব করে দেয় ।
সন্ত্রাসীরা হলেন ১/মোনাসেফ হাং (৫৩) পিতা মৃত হাচন আলী হাং ২/কেনান হাং (৩০) পিতা কুদ্দুস হাং ৩/মোঃ বাচ্চু হাং (২৭) পিতা মোনাসেফ হাং ৪/জামাল হাং (৪০) পিতা মৃত হাচন আলী হাং ৫/ ইমাম হাং (২৭) পিতা কুদ্দুস হাং ৬/ কুদ্দুস হাং (৪৮) পিতা মৃত হাচন আলী হাং ৭/ ইয়াজুজ হাং (৩০) পিতা মেনাজ হাং ৮/মারুফা বেগম (২৪) স্বামী বাচ্চু হাং ৯/ আফরোজা বেগম (২৫) স্বামী কেনার হাং ১০/ নজরুল হাং ( ৩৫) পিতা মোনাসেফ হাং ১১/ মেনাজ হাং (৫৭) পিতা মৃত হাচন আলী হাং ১২/ রোকেয়া বেগম (৩৭) স্বামী জামাল হাওলাদার ১৩/ ছালিনা বেগম (২৬) পিতা কুদ্দুস হাং ১৪/হাফসা বেগম (৩০) স্বামী নজরুল হাং ১৫/ ফেরদৌস বেগম (৩০) পিতা মেনাজ হাং
এবং ১৬/কারিমা বেগম (২৮) পিতা
মেনাজ হাং সর্ব সাং ছোট আউলিয়াপুর ৫ নং ওয়ার্ড পটুয়াখালী।
এ বিষয়ে ১ নং আসামি মোনাসেফ হাওলাদার কে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি,তবে এক পর্যায়ে মোনাসেফ হাং এর ফোনে কল দিলে রিসিভ করেন তার পুত্র বধু ১৪ নং আসামি হাফসা বেগম তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা তাদের মেরেছি ওদের কপাল ভালো যে ওরা এখনো জানে বেঁচে আছে এই বলে হাফসা বেগম ফোন কল বিছিন্ন করে দেয়।
চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় মোটামুটি সুস্থ হয়ে ১৬:০৬:২৫ তারিখ
পটুয়াখালী সদর থানায় ভুক্তভোগী ফতেমা বেগম
বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেন।
এ বিষয় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ পটুয়াখালী সদর থানা মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন আমরা আসামিদের দূরুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করব।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.