|| ১৪ই জানুয়ারি, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ || ৩০শে পৌষ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ || ১৪ই রজব, ১৪৪৬ হিজরি
পূবাইলে অন্যের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে
প্রকাশের তারিখঃ ৯ জুলাই, ২০২৪
গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে অন্যের জমিতে অনাধিকার প্রবেশ করে ১লক্ষ১২ হাজার টাকার গাছ কেটে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে কথিত সাংবাদিক পরিচয়দানকারী জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে।এ বিষয়ে ভূক্তভোগী নিজে পূবাইল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটেছে ৪২ নং ওয়ার্ডের কামারগাও এলাকায়।
জমির মালিক নওশীন তারান্নুম ইমা সাংবাদিকদের জানান,পূবাইল থানাধীন কামারগাঁও মৌজায় আমার আপন মামা মো: জাহিদ হোসেন এর কাজ থেকে গত ১২/০২/২০০৯ ইং তারিখে তফসিল: মৌজা: কামারগাঁও, সিএস ২৯, এসএ ৬০, আরএস ১৪ নং খতিয়ান ভুক্ত সিএস ও এসএ ২০ নং আরএস ২৮ দাগে ০৩.৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। উক্ত জমি ক্রয়ের পর সেখানে বিভিন্ন গাছপালা রোপন করে ভোগদখলে থাকা অবস্থায় আমার মামা গত ২৮/০৯/২০২২ ইং তারিখে রেজি:কৃত আমমোক্তার দলিল নং ১৯২৮৯ মূলে আমাকে আমমোক্তার নিয়োগ করেন। আমি উক্ত জমির আমমোক্তার নিযুক্ত হয়ে জমি দেখাশুনা করে আসছি। আমি উক্ত জমি দেখাশুনার একপর্যায়ে হঠাৎ গত ১২/০৬/২০২৪ ইং তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকায় বিবাদী জালাল উদ্দিন পরিকল্পিতভাবে অজ্ঞাতনামা ০৪/০৫ জন বিবাদীগন সহ পূবাইল থানাধীন কামারগাঁও মৌজাস্থ বর্ণিত তফসিল ভুক্ত জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে জমিতে থাকা সেগুন গাছ ও আকাশি গাছ মিলে প্রায় ২৮টি গাছ কেটে ফেলে ক্ষতিসাধণ করে। যাহার মূল্য অনুমান ১,১২,০০০/-(এক লক্ষ বারো হাজার) টাকা। আমার বাবা ঘটনার বিষয়টি গত ০৪/০৭/২০২৪ ইং তারিখ দুপুর অনুমান ০১.০০ ঘটিকায় কামারগাঁও এলাকার স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে অবগত হয়ে আমাকে জানান এবং বিবাদী জালাল উদ্দিনকে ফোন দিয়ে ঘটনার সর্ম্পকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। পরবর্তীতে আমি নিজে অদ্য ইং ০৬/০৭/২০২৪ তারিখ সময় বিকাল অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকায় বর্ণিত ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছকাটার বিষয়টি দেখে ছবি নিতে গেলে বিবাদী জালাল উদ্দিন উক্ত জমিতে এসে আমার সহিত উগ্র মেজাজ দেখিয়ে কথা বলে এবং আমাকে মারপিট করার জন্য তেড়ে আসে। এমনকি হুমকি দিয়ে বলে যে, তথ্য গাছ খেয়েছে তো খেয়েছে, জমিও খেয়ে ফেলবে। এছাড়াও ভবিষ্যতে আমি কিংবা আমার পরিবারের অন্যান্য লোকজন উক্ত জমিতে গেলে বিবাদী জালাল উদ্দিন আমাদেরকে প্রাণে মেরে ফেলবে মর্মে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে চলে যায়। উক্ত বিষয়ে কামারগাঁও এলাকার স্থানীয় অনেকে অবগত আছেন। আমি উক্ত ঘটনার বিষয়টি নিজ পরিবার ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সহিত আলোচনা করে থানায় এসে এজাহার দায়ের করেছি।
এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জালাল উদ্দিন কে জিজ্ঞেস করলে তিনি ঘটনার সততা স্বীকার করেন এবং নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন পরবর্তীতে তার আইডি কার্ড দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি বা কোন ইলেকট্রনিক্স বা প্রিন্ট মিডিয়াতে কাজ করে তাও তিনি বলতে পারেনি।
এ বিষয়ে পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Copyright © 2025 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.