এবিষয়ে-সিঙ্গারডাবড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা আক্তারের বড় ভাই আরিফুল ইসলামের কাছে সেলিনা আক্তারের অষ্টম শ্রেণি পাশের বিস্তারিত তথ্য জানতে চাইলে তিনি তা সময় সাপেক্ষে দেখাবেন বলে জানান।
বয়স জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জানার জন্য সরকার বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন বয়স কমিয়ে অষ্টম শ্রেণি পাসের সনদ কিভাবে সিঙ্গারডাবড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয় দিল সেটার জবাব ওই বিদ্যালয় দিবে।এ সংক্রান্ত যেকোনো জবাব সেলিনা আক্তার দিবে বলে জানান তিনি।
রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি,তদন্ত সাপেক্ষে অসঙ্গতি প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শামছুল আলমের কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,একটা অভিযোগ পেয়েছি,বিষয়টি বিভাগীয় কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠিয়ে তদন্ত করার ব্যবস্থা করবো। তদন্তে জালিয়াতি প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।