|| ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৮শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
শীত ও কুয়াশায় কাপছে কুড়িগ্রাম দারিদ্র মানুষ তাপমাত্রা ১০ এর ঘরে
প্রকাশের তারিখঃ ৩ জানুয়ারি, ২০২৪
ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় কাপছে কুড়িগ্রাম। আজ বুধবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকালের তুলনায় ২ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমেছে।
দেখা গেছে, উত্তরীয় হিমেল হাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছে ঠান্ডার মাত্রা। এদিকে ঘন কুয়াশা থাকায় বিঘ্নিত হচ্ছে বিভিন্ন যান চলাচল। দিনের বেলায় সড়কে হেট লাইট জ্বালিয়ে যানবাহনগুলোকে যাতায়াত করতে দেখা গেছে।
বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের বেলা তাপমাত্রা ঠিক থাকলে রাতে তাপমাত্রা আরও কমতে থাকবে বলে জানান কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিস।
দুদিন থেকে উত্তরীয় হিমেল বাতাসে সবচেয়ে কষ্টে পড়েছে জেলার ১৬টি নদ নদীর অববাহিকার বাসিন্দারা। আর রাতে বৃষ্টির মত পড়ছে কুয়াশায়।
সকালে কাজের সন্ধানে ছুটে চলা মানুষজন পড়ছে ভোগান্তির মুখে। তীব্র ঠান্ডায় সবজি ক্ষেত ও বীজতলা নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা পড়েছেন কৃষকেরা।
সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের শ্রমিক আহসান হাবীব বলেন, দুইদিন থেকে খুব ঠান্ডা। সকালে সাইকেল চালানো যাচ্ছে না। সকালে সাইকেল চালালে মনে হয় জীবন বাহির হয়ে যায়। ঠান্ডায় হাত পা বরফ হয়ে যায়।
জহুরুল নামের একজন বলেন, শীতকালে আমাদের মতো মানুষের খুব কষ্ট। কারণ মানুষ ঘুম থেকে নাই উঠতে আমাদের মাঠে যেতে হয়। ঠান্ডায় মাঠে কাজ করা সেই সমস্যা। কি আর করার কন কাজ না করলে তো আর জীবন চলবে না।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, আজ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতে তাপমাত্রা আরও কমতে থাকবে বলে জানান তিনি। শৈত্য প্রবাহ কবে নাগাদ হতে পারে তা দুপুরের মধ্যে জানানো যাবে।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.