|| ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
লক্ষ্মীপুরে জোড়া খুনের পরিকল্পনাকারী, ভাইকে, খুঁজছে পুলিশ-DBO-news
প্রকাশের তারিখঃ ৭ মে, ২০২৩
লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরের জোড়া খুনের ঘটনায় আসামীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অস্ত্র উদ্ধারের পর হত্যা পরিকল্পনাকারী ব্যক্তি ( ভাই) সহ অন্য আসামীদের খুজছে পুলিশ। রিমান্ডে থাকা আজিজুর রহমান ছোট বাবলু ও মশিউর রহমান নিশানের দেওয়া তথ্যমতে তাদের
বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুটি বন্দুক ও পাঁচ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। লক্ষ্মীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো: মাহফুজ্জামান আশরাফ প্রেস ব্রিফিং এ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। পুলিশ সুপার বলেন, রিমান্ড শেষে 'আজিজুর রহমান ওরফে ছোট বাবলুকে নিয়ে রাত ১২ টার দিকে তার বাড়িতে যাই। তার কলাবাগান থেকে দুই নলা একটি বন্দুক ও চারটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অপর আসামী মশিউর রহমান নিশানের বশিকপুর বাড়ি থেকে একনলা একটি বন্দুক ও একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আদালতে স্বেচ্ছায় জবানবন্দী দেওয়া দেওয়ান ফয়সাল ও কদু আলমগীরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জোড়া খুনের পরিকল্পনাকারী 'বড় ভাইসহ অন্য আসানীদেরকে খুঁজছে পুলিশ। এই বড় ভাই'ই হত্যাকান্ডের ছক তৈরী করে। হত্যাকান্ডের
সময় ঘটনাস্থলে কে থাকবে, ঘটনার ব্যাকআপে কে-কোথায় অবস্থান করবে সব বড় ভাই ঠিক করে। এমনকি হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রও সরবরাহ করে এই বড় ভাই। কথিত সেই বড় ভাইসহ সকল অপরাধীদের গ্রেফতার অভিযানে নেমেছে পুলিশ। মামলার স্বার্থে সেই ভাইয়ের নামসহ আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য না জানানোর কথা জনান পুলিশ সুপার।
জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ১১ জনের মধ্যে সিসি টিভি ফুটেজে সনাক্ত হওয়া দেওয়ান ফয়সাল ও কদু আলমগীর স্বেচ্ছায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়।জবানবন্দীতে তারা জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ৩৫/৪০ জন নাগের হাট এলাকায় একটি বড় মাঠে মিলিত হয়। এসময় একজন ব্যক্তি ( ভাই)
এসে তাদেরকে ৫ টি গ্রুপে ভাগ করে। কোন গ্রুপে কোথায় অবস্থান করবে, গ্রুপের দায়িত্ব কি তিনি বুঝিয়ে দেন। এবং প্রত্যেক গ্রুপে ৩/৪ টি করে অস্ত্র দিয়ে তিনি চলে য়ান। পরে গ্রুপ ভিত্তিক তারা ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান নেন। হত্যাকান্ড শেষ হওয়ার পর কেউ হেঁটে, কেউ সিএনজি, কেউ হুন্ডা দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পুলিশ সুপার মাহাফুজ্জামান আশরাফ জানান, আসামীদের দেওয়া জবানবন্দী খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তাদের দেওয়া তথ্যমতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
অপরাধী যেই হোক তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। অপরাধীদের ধরতে পুলিশে অভিযান অব্যহত রয়েছে।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.