|| ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
নওগাঁর ঐতিহোবাহী নিদর্শন বৌদ্ধবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত দেখার কেউ নেই: DBO-NEWS
প্রকাশের তারিখঃ ১৬ এপ্রিল, ২০২৩
নওগাঁর জেলার (বদলগাছী) ঐতিহাসিক নিদর্শন পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার নামে পরিচিত। বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপনা আবিষ্কার করেন। পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে। এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্ম শিক্ষাদান কেন্দ্র ছিল। শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই শুধু নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন। খ্রিস্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
ঙ্গবন্ধুর ১৯৭৪ সালের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ১৯৮৫ খ্রি: ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের স্বীকৃতি প্রদান করে।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.