|| ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা-DBO-News
প্রকাশের তারিখঃ ২৬ মার্চ, ২০২৩
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশকাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দশমিনা গলাচিপা উপজেলা, সর্বস্তরের জনগণ আওয়ামী লীগের তথ্য বিষয়েক সম্পাদক তিনি ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি বিনস্র শ্রদ্ধা , আ স ম জাওয়াদ সুজন বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে এ দেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বাংলাদেশের প্রতিরোধ যুদ্ধের পথ তৈরি করে দিয়েছিল। এরপর ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আহবানে দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামে আসে বিজয়।
স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা জানাই আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি, যাদের আত্মত্যাগের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আমরা এগিয়ে চলেছি একটি জাতি হিসেবে। স্বাধীনতা অর্থ দিয়ে কেনা যায় না। এটি অনেক সাহসী মানুষের সংগ্রামের ফসল।
তাই মহান স্বাধীনতা অর্জন ও নিজ মাতৃভূমি কে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন থেকে মুক্ত করতে যে বাংলার ছেলেরা জীবন দিয়েছে এবং যে সমস্ত মা বোন নিজের ইজ্জত কে বিসর্জন দিয়েছে সে সমস্ত শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ও তাদের প্রতি এই স্বাধীনতা দিবসে সশ্রদ্ধা সালাম ।
আরেও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসই হবে নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস। নতুন প্রজন্ম হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি আধুনিক প্রজন্ম, যারা বাস্তবায়ন করবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। এ যে আমাদের আজন্ম লালিত স্বপ্ন।
আসুন এ স্বাধীনতা দিবস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গড়ে ওঠা সমস্ত অন্যায় কে না বলি, মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত খানসামা বিনির্মাণে এক সাথে কাজ করি।
দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধু যে স্বট্ন দেখেছিলেন সে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যে দেশে দরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত উপযক্তু নাগরিক।
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশকাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দশমিনা গলাচিপা উপজেলা, সর্বস্তরের জনগণ আওয়ামী লীগের তথ্য বিষয়েক সম্পাদক তিনি ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি বিনস্র শ্রদ্ধা , আ স ম জাওয়াদ সুজন বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে এ দেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বাংলাদেশের প্রতিরোধ যুদ্ধের পথ তৈরি করে দিয়েছিল। এরপর ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আহবানে দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামে আসে বিজয়।
স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা জানাই আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি, যাদের আত্মত্যাগের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আমরা এগিয়ে চলেছি একটি জাতি হিসেবে। স্বাধীনতা অর্থ দিয়ে কেনা যায় না। এটি অনেক সাহসী মানুষের সংগ্রামের ফসল।
তাই মহান স্বাধীনতা অর্জন ও নিজ মাতৃভূমি কে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন থেকে মুক্ত করতে যে বাংলার ছেলেরা জীবন দিয়েছে এবং যে সমস্ত মা বোন নিজের ইজ্জত কে বিসর্জন দিয়েছে সে সমস্ত শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ও তাদের প্রতি এই স্বাধীনতা দিবসে সশ্রদ্ধা সালাম ।
আরেও বলেন লে' জেনারেল (অব,)আবুল হোসেন সাবেক মহাপরিচালক। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসই হবে নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস। নতুন প্রজন্ম হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি আধুনিক প্রজন্ম, যারা বাস্তবায়ন করবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। এ যে আমাদের আজন্ম লালিত স্বপ্ন।
আসুন এ স্বাধীনতা দিবস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গড়ে ওঠা সমস্ত অন্যায় কে না বলি, মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত খানসামা বিনির্মাণে এক সাথে কাজ করি।
দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বঙ্গবন্ধু যে স্বট্ন দেখেছিলেন সে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যে দেশে দরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত উপযক্তু নাগরিক।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.