|| ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
চারঘাটে ঘাতক বাস কেড়ে নিলো তোফাজ্জল এর জীবন।
প্রকাশের তারিখঃ ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
রাজশাহী প্রতিনিধি।
মেয়ের বাড়ী যাওয়া হলো না বাবার-ঘাতক বাস কেড়ে নিলো বাবার প্রাণ। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে রাস্তা পারাপারের সময় বানেশ্বর-চারঘাট মহাসড়কের খুদির বটতলা নামক স্থানে পিকনিকের একটি বাস সাইকেল আরোহীকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তোফাজ্জল হোসেন নামের এক ব্যাক্তি মারা যান।
পারিবারিক ও স্থানীয়রা জানান,উপজেলার ইউসুফপুর এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তোফাজ্জল হোসেন (৬৫) শুক্রবার সকালে বেশ কিছু দৈনন্দিন বাজার সদয় করে বাই সাইকেলযোগে আদরের মেয়েকে দেখতে নিজ বাড়ী থেকে বের হন।
এসময় সকাল নয়টার দিকে চারঘাট-বানেশ্বর মহাসড়কের খুদির বটতলা নামক স্থানে পৌছলে বানেশ্বর থেকে চারঘাট অভিমুখের একটি পিকনিকের রকি পরিবহন বাস তোফাজ্জল হেসেনকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাথা থেতলে মারা যান। এসময় স্থানীয়রা ঘাতক বাসটি আটক করে । পরে থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘাতক বাসটি থানায় নিয়ে যায়,রকি পরিবহন ঢাকা মেট্রো-ব,১১-৮৫৯৮।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,আদরের মেয়েকে দেখতে বাজার সদয় করে নিজ বাড়ী থেকে বাই সাইকেল যোগে মেয়ের বাড়ী পৌছার আগেই ঘাতক বাস কেড়ে নিলো বাবার প্রান। এভাবেই কান্নায় বার বার ভেঙ্গে পড়ছিলেন নিহত তোফাজ্জল হোসেন (৬৫) এর এক মাত্র পুত্র সন্তান শাহাদত হোসেন লিটন।
ওই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য রিন্টু বলেন , তোফাজ্জল হোসেনের এক ছেলে এবং এক মেয়ে। আদরের মেয়েটির বিয়ে হয়েছে উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের জাফরপুর গ্রামে। মেয়ের বাড়ীর মাত্র ১ কিলোমিটার দুরেই ঘাতক বাসটি বাবার প্রান কেড়ে নেয়ার ঘটনায় পুরো এলাকায় এখন শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রাজশাহীর চারঘাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুল আলম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। যাত্রীবাহি বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.