|| ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
রাজশাহীতে ৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ গৃহবধূর চিন্তায় পরিবারবর্গ-দৈনিক বাংলার অধিকার
প্রকাশের তারিখঃ ১০ অক্টোবর, ২০২০
৮ দিনেও নিখোঁজ গৃহবধূ এস এ জীবন নেশা রুকুর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ফলে স্ত্রী হারানো শোকের ছাপ পড়েছে গৃহবধূর স্বামীর মুখে।
দিন যতই বাড়ছে ততই বাড়ছে নিখোঁজ গৃহবধূর জন্য তার স্বামীসহ সন্তানের বেদনা। নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধানের জন্য প্রশাসনের ধারে ধারে ঘোরে বেড়ালেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা স্বামী নাইম। এই ব্যাপারে উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া প্রয়োজন।
তাকে ফিরে পেতে এ ব্যাপারে বোয়ালিয়া মডেল থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। নিখোঁজ গৃহবূধুকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মহলে ঘনিভূত রহস্যের বেড়াজাল।
সম্ভাব্য স্থানে খোঁজ খবর নিয়েও এখনও তার সন্ধান মেলেনি। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে,জানা যায়,বোয়ালিয়া মডেল থানাধীন মোন্নাফের মোড় এলাকার আলীর মেয়ের সঙ্গে নাইমুল ইসলাম নাইমের বিয়ে হয়। নাইমুল ইসলাম নাইম নগরীর মিরের চক এলাকার বাসিন্দা মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে।
বিয়ের পর থেকে দুইজনের সংসার জীবন সুন্দরভাবে চলে আসছিল। সংসারে কোন রকমের অভাব ও নিজেদের মধ্যে কোনো কলহ ছিল না। আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গেও কোনো বিরোধ বা শক্রতা নেই।
কিন্তু গত (২) (৮ অক্টোবর) কাল ১১টার দিকে এস এ জীবন নেশা রুকু তার একমাত্র সন্তানকে বাড়িতে রেখে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ এস এ জীবন নেশা রুকুর স্বামী ইমুল ইসলাম নাইম জানান, গত (২) (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে কাউকে কিছু না বলে গৃহবধূ এস এ জীবন নেশা রুকু বাসা থেকে বের হয়ে চলে যায়। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত তার কোন সন্ধান মেলেনি। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িসহ আশপাশের এলাকা ও বিভিন্ন সম্ভাব্য এলাকায় খোঁজেও তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে,নিখোঁজ এস এ জীবন নেশা রুকুর জন্য স্বামী ও স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিবারন চন্দ্র বর্মন বলেন, নিখোঁজের বিষয়টি রহস্যজনক। নিখোঁজের বিষয়ে তদন্ত চলছে। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে নিখোঁজ রুকুর সন্ধান করছে পুলিশ। তাকে উদ্ধারে পুলিশ সব রকম চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে জানান ওসি।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.