|| ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে উড়ন্ত সূচনা চেন্নাইয়ের দল-দৈনিক বাংলার অধিকার
প্রকাশের তারিখঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে উড়ন্ত সূচনা চেন্নাইয়ের
টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই চেন্নাই সুপার কিংসের খেলোয়াড়দের বয়স নিয়ে আলোচনা হয়েছে অনেক। মারকাটারি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চেন্নাইয়ের ত্রিশোর্ধ্ব বয়সের ক্রিকেটাররা কতটা কার্যকর হবেন- তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
মাঠের খেলা শুরু হতেই মিলল জবাব। বুড়ো হাড়ের ভেলকি দিয়েই আইপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে দিয়েছে চেন্নাই। টুর্নামেন্টের ১৩তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে চারবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ানসকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনির ‘বুড়ো’দের চেন্নাই। মুম্বাইয়ের করা ১৬২ রানের সংগ্রহ ৪ বল হাতে রেখেই টপকে গেছে তারা।
চেন্নাইয়ের জয়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন ৩৪ বছর বয়সী আম্বাতি রাইডু এবং ৩৬ বছর বয়সী ফাফ ডু প্লেসি। মাত্র ৬ রানে দুই উইকেট পতনের পর ফাফ ও রাইডু মিলে গড়েন ১১৫ রানের জুটি, তাও মাত্র ১৪ ওভারে। দলীয় ১২১ রানের মাথায় ৪৮ বলে ৭১ রান করে ফেরেন রাইডু।
তৃতীয় উইকেটে সূর্যকুমার যাদবকে (১৬ বলে ১৭) নিয়ে অবশ্য সেই ধাক্কা অনেকটাই সামলে নিয়েছিলেন সৌরভ তিওয়ারি। একটা সময় ৩ উইকেটে ১২১ রান ছিল মুম্বাইয়ের। কিন্তু ১৫তম ওভারে এসে ফের জোড়া ধাক্কা। এক ওভারেই রবীন্দ্র জাদেজার শিকার দুই ব্যাটসম্যান।
তবে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন ফাফ। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৪ বলে ৫৮ রানের অনবদ্য ইনিংস। এর সঙ্গে স্যাম কুরান ৬ বলে ১৮ রানের কার্যকরী ক্যামিও ইনিংস খেললে সহজ হয় চেন্নাইয়ের জয়।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনাই পেয়েছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। রোহিত শর্মা আর কুইন্টন ডি কক ২৮ বলের উদ্বোধনী জুটিতে তুলেন ৪৬ রান। তবে দারুণ এই শুরু ভেস্তে যায় মুম্বাই টানা দুই ওভারে রোহিত (১০ বলে ১২) আর ডি কককে (২০ বলে ৩৩) হারালে।
এরপর বল হাতে চমক দেখিয়েছেন লুঙ্গি এনগিদি। ক্রুনাল পান্ডিয়ার (৩ বলে ৩) পর মুম্বাই ব্যাটিংয়ের শেষ ভরসা কাইরন পোলার্ডকে (১৪ বলে ১৮) ফিরিয়েছেন প্রোটিয়া এই পেসার। পকেটে পুরেছেন জেমস প্যাটিনসকেও (৮ বলে ১১)।
ভারতীয় এই স্পিনারের ঘূর্ণিতে ৩১ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৪২ রান করে সৌরভ ফেরেন ডু প্লেসিসের ক্যাচ হয়ে। তিন বল পর আউট হন বড় ২ ছক্কা হাঁকিয়ে ১০ বলে ১৪ রান করা হার্দিক পান্ডিয়াও।
ধুঁকতে থাকা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এরপর আর বেশিদূর আগাতে পারেননি। ৯ উইকেটে ১৬২ রানেই থামতে হয়েছে চারবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলার অধিকার. All rights reserved.