আজ ১৯শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২রা এপ্রিল, ২০২০ ইং

চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগ হয়তো লাশের অপেক্ষা করছেন! জেলা শহরে বসে মজা নিচ্ছেন- দৈনিক বাংলার অধিকার   

চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগ হয়তো লাশের অপেক্ষা করছেন! জেলা শহরে বসে মজা নিচ্ছেন- দৈনিক বাংলার অধিকার

হাজীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কোন গ্রুপের লাশ না পড়লে ওনারা কোন রূপ সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারছে না।

সম্প্রতি একের পর এক, কখনো পৌর আবার কখনো উপজেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের ধর পাকড়া নিত্য নৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক গ্রুপ অন্য গ্রুপকে ধোলাই দিচ্ছে, উর্ধ্বতন নেতারা তা মজা লুটে নিচ্ছে।

জাহিদুল ইসলাম রোমান এর ছাত্রলীগ,শেখ মোঃ মোতালেব এর ছাত্রলীগতো এমন ছিলো না তবে দুই পারভেজদের ছাত্রলীগ এমন হবে কেন !

সর্বশেষ বন্ধুবর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবায়দুর রহমান খোকন ঢাকা পপুলার হসপিটালে জরুরী বিভাগে ভর্তি অবস্থায় একটি ফেসবুকে পোষ্ট দেখতে পেয়ে কষ্ট পেলাম। আজ শান্তির শহর হাজীগঞ্জ কেন আতংকের শহর হবে। কিশোর গ্যাংদের দৌরাত্ম্য দেখে মুখ না খুলে পারলাম না।

২০০০ সাল থেকে সক্রিয় ভাবে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিট নেতৃত্বে ছিলাম। সর্বশেষ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি নেই । যেখানে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি হাসানুজ্জামান লিটন,চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এ্যাড জিল্লুর রহমান জুয়েল,চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এ্যাড জাহিদুল ইসলাম রোমান, জহিরুল ইসলাম মামুন, সৈয়দ আহম্মেদ খসরু, হুমায়ুন কবির সুমন শেখ মোঃ মোতালেব,শুকুর আলম শুভ ভাইদের স্নেহ ও ভালোবাসা পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা পেয়েছি। সেই সাথে নেতাদের স্নেহ, আদর ও ভালোবাসার সাথে কঠোরতা দেখেছি।

যেখানে সন্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হতো সেখানে শীর্ষ কয়েকজন আ’লীগ নেতাদের তদবিরে জেলা পর্যায় থেকে অর্থ বিত্তে মহামান্বিত করে উপজেলা পর্যায়ে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে কমিটি চলে আসা শুরু হয়।
বড় বড় নেতাদের পূজা করতে গিয়ে ছাত্রলীগ নীতি নৈতিকতা ও আদর্শ বিবর্জিত হয়ে ছাত্রলীগের কমিটি দেয়া হয়। হীন মন্যতা ও আত্মকেন্দ্রিক স্বার্থ হাসিলের কারনে দলীয় স্বার্থ বিবেচনায় না নিয়ে গুটি কয়েক নেতার আর্শীবাদপুষ্ট ছাত্র অছাত্রদের সমন্বয়ে ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয় জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

যেখানে কেন্দ্র, জেলা, উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের জোরালো তদবির, অর্থবানিজ্যের চাপায় পিষ্ট হয়েছিল ছাত্রলীগের গঠণতন্ত্র।

যেখানে আমার মত অনেকেই পদবঞ্চিত হতে হয়। তখনি আজকের ছাত্রলীগকে ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছায়া ভেসে উঠেছিল।

ছাত্রলীগের ভয়ে আজ লুকিয়ে লুকিয়ে বাড়ি যেতে হয়। কখন যে প্রতিপক্ষ গ্রুপের মনে করে গণ ধোলাই খেতে হয়! এ প্রজন্মের কতজনইবা জানে হাজীগঞ্জে দূর্দিনে ছাত্রলীগের ভূমিকায় কারা ছিল। এরাতো শুধু সুখের দিন গুলোর ভাগিদার।

অনেকেই ভাববেন হয়তো অনেক ভুলভাল বকছি
সকল কথা গুলোই বলেছি ছাত্রলীগকে ভালোবেসে ছিলাম তাই। তারপরও কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা চাই। এই ছাত্রলীগকে ঘৃনা করি। এই ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগ হতে পারে না।।

সংগ্রহঃ শাহরিয়ার তুহিন (ওয়াল)

     এই বিভাগের আরোও সংবাদ

আর্কাইভ