আজ ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং

ধর্ষণের জন্য নারীর পোশাক দায়ী নাকি মেয়েরা দায়ী – দৈনিক বাংলার অধিকার

যতই দিন যাচ্ছে ততই মানুষ অাধুনিক হচ্ছে সব কিছুর পরির্বতন ঘটছে -দিনদিন অন্যায় অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অাসুন একটু সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে অালোচনা করি। বর্তমানে সবচেয়ে অালোচিত বিষয় হলো ধর্ষণ –?

ধর্ষণের হাত থেকে শিশু,বৃদ্ধা কেউ বাদ যাচ্ছে না। ধর্ষণের কারন হিসেবে অামরা অনেক কিছু বলতে পারি। তবে অাসুন নারীর পোশাক নিয়ে কিছু বলা যাক। যদি পোশাক নিয়ে বলতে যাই তাহলে নারীসহ অনেকই বললে পোশাকের যদি দোষ হয় তাহলে কেনো শিশু ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছে।

কেনো শিশু ধর্ষণের স্বীকার হচ্ছে এই প্রশ্নের উত্তর কেউ দিতে পারবে না। অার পারার কথাও না। তাহলে বলতে পারবেন কেনো মা-বাবা তার অাদরের সন্তানকে খুন করছে। অাবার অাদরের মা-বাবাকে সন্তান কেনো খুন করছে এই প্রশ্নের উত্তর কেউ অাপনার দিতে পারবে না।আমার মনে হয় পারবেন।

বলতে পারবে ভাই-বোন একসাথে থাকলে কোন নোংরা মানসিকতা জাগে না কেনো। স্বামী -স্ত্রী এক সাথে ঘুরতে গেলে কেনো নোংরা মানসিকতা জাগে না কেন। তাহলে তারা কোথায় ঘুরতে পারতো না। তাহলে তারা রাস্তা ঘাটে চলতে পারতো না। যখন প্রেমিক-প্রেমিকা ঘুরতে যায় একা বাসায় থাকে তখন কেমন চিন্তা মাথায় জাগে হয়তো সবাই বলতে পারবেন।

মেয়েরা তোমাদের বলছি,তোমরা তো তোমাদের রুপ-যৌবন তোমার দেহের গঠন ছেলেদের দেখানের জন্য নোংরা পোশাক পড়ছো অার তো কোন কারন অামি দেখি না। এমনতো না তোমরা নোংরা পোশাক পড়লে সরকার তোমাদের খাওয়াবে চাকরির ব্যবস্থা করে দিবে। মাসে মাসে ভাতা দিতে এমন কিছুই না।

তোমাদের ব্যক্তিগত বেপারে অাঘাত করার অধিকার অামার নাই। তবুও বলছি তোমরা হয়তো জানো না তোমাদের শরীরের কিছু কিছু অঙ্গ দেখলে মনটা যে কত খারাপ হয় বলে বুঝাতে পারবো না। যদি বলো ছেলেদের মনে নোংরা মানসিকতা তাই খারাপ হচ্ছে। তাহলে বলবো ভুল তোমরা ভুল বলছো।।

মেয়েরা তোমরা জানো না অাল্লাহ তোমাদের এমন একটি অলৌকিক শক্তি দ্বারা সৃষ্টি করেছে। একটি চুম্বক অারেকটি চুম্বক বা লোহাকে যতটা অার্কষণ করে তার চেয়ে হাজার গুনের অার্কষণ তোমাদের মাঝে অাল্লাহ দিয়েছে। তোমাদের কিছু কিছু অঙ্গ দেখার পর পুরুষ তাদের জৌবিক চাহিদা অনেক কষ্টে কন্টল করে অাবার অনেকে পারে না।

মেয়েরা তোমাদের পোশাক নিয়ে কথা বললেই তোমরা দোষটা অন্যভাবে দেখো। তোমরা যখন ক্লাসে যাও নোংরা পোশাক পড়ে তখন শিক্ষকের মানসিকতা কতটা খারাপ হয়। ঐ শিক্ষকের বন্ধু বা কাছের লোক জানে সে তোমাদের নিয়ে কি অালোচনা করে বাহিরে। তোমারাই জানে ছেলেদের মনের অবস্থা কেমন হয় নোংরা পোশাক পড়া মেয়ে দেখলে ?

মেয়েরা তোমরা যখন নোংরা পোশাক পড়ে বন্ধুর সাথে বা বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরাফেরা করো। তখন তোমার সাথে থাকা লোকটি জানে তার মাঝে কেমন লাগে?তোমার বন্ধু বা বয়ফেন্ড তার বন্ধুদের সাথে তোমায় নিয়ে কি অালোচনা করে তোমায় নিয়ে। বলতে পারো নোংরা মানসিকতা কখনোই ভালো না। তোমরা বিপরীত বাকিটা বুঝে নাও তোমার ধারনা দ্বারাই??

মেয়েরা তোমাদের নোংরা পোশাক দেখে একজনের পুরুষের মন যখন খারাপ হয়। তখন শয়তান অারো খারাপ করে দেয়। বেশী সমস্যা মোবাইলে ,গুগলে যেতে বলে বিভিন্ন ভিডিও দেখার জন্য মনটা অারো খারাপ হয়ে। তার ভিতর শয়তান কতটা যে অস্তিরতা বোধ সৃষ্টি করে সেই ভালো জানে..

স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা বেশির ভাগেই প্রেম-ভালোবাসায় জড়িত। তারা বেশির ভাগেই জৌবিক চাহিদা মিটায়ে নিচ্ছে ভালোবাসার মানুষটির সাথে। এটা ধর্ষণ না জাস্ট ইনজয় এমনিতো তাই না?যে বেটা রিক্সা চালায় সে কি করবে,যে বেটার কেউ নাই সে কি করবে তোমাদের এই রোমান্টিক দৃশ্য দেখে রাস্তা ঘাটে ?

সে কি করে জানেন মোবাইলে ভিডিও দেখে মাথা খারাপ করে। তখন সে শিশু বা বৃদ্ধার সাথে কি করবে তার মাথায় কাজ করে না।

যে পুরুষ মেয়েদের নোংরামি দেখে যদি মানসিকতা খারাপ না হয়। তাহলে বলবো সে পুরুষি না মনে হয় সে অাল্লাহ ওলি। মেয়েদের নোংরা পোশাক দেখে একজন পুরুষের মনের মাঝে কতটা যে খারাপ চিন্তা জাগে একটি পুরুষেই ভালো জানে।

মেয়েরা তোমাদের চাকরি করার,ব্যবসা করার, যুদ্ধ করার মত অনুমতি ইসলাম দিয়েছে। তবে কেনো এত নোংরামি কারন কি?শালিলতা বজায় রেখে সব কিছু করো। কেউ কিছু বলার সাহসও পাবে না। একটা কথা মনে রাখবে খারাপ ভালো মিলেই এই জগত সংসার। (যেটা জিনিস কোরঅান -হাদিসে নিষেধ সেই জিনিস কোনদিনও ভালো ফল হয়ে অানবে না।

এ-ই লিখার মাঝে ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

     এই বিভাগের আরোও সংবাদ

আর্কাইভ