আজ ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

হাজীগঞ্জে নীলনকশার মধ্যে দিয়ে চলছে ইউনিয়ন আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের অভিযোগ  -দৈনিক বাংলার অধিকার

জহিরুল ইসলাম জয় হাজীগঞ্জ থেকে,   চলতি বছরের ১৬ জুন অনুষ্ঠিত্ব জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের সম্মেলনের তারিখ ২৮ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা । জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও হাজীগঞ্জ উপজেলা ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আলহাজ্ব ইউসুফ গাজী স্বাক্ষতির পত্রে নির্ধাতি প্রথম তারিখ থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারক কমিটির নেতৃবৃন্দ তা উপেক্ষা করে নীল নকশার মাধ্যমে সম্মেলনের দিন তারিখ পরিবর্তন করে মনগড়া সম্মেলনের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠে।

৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ছিল উপজেলার সকল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের শেষ দিন। কিন্তু নিজেদের প্রচন্দ্রের প্রার্থীদের সুবিধা মেনে মনগড়া সম্মেলনের তারিখের মাধ্যমে মাত্র সাতটি ইউনিয়নের কার্যক্রম শেষ করে। বাকি আরো ৫টি ইউনিয়নের সম্মেলন এখনও বাকি থাকায় জেলা আওয়ামী লীগের নির্ধারিত তারিখ উপক্ষে করে নিজেদের প্রার্থীদের বের করার নীল নকশা চলছে। আর এতে করে প্রশ্ন বিদ্ধ দেখা দিয়েছে বঞ্চিত ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও জেলা আওয়ামী লীগের কাছে।

অভিযোগ পাওয়া যায়, উপজেলার ৬নং বড়কূল পূর্ব ইউনিয়ন আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক নিজের প্রচন্দ্রের প্রার্থীকে জয়লাভ করে দেওয়ার। এছাড়া বড়কূল পশ্চিম ইউনিয়ন, দ্বাদশগ্রাম ইউনিয়ন, সদর ইউনিয়ন, কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন, বাকিলা ইউনিয়ন ও গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত্ব সম্মেলনগুলোতে নীল নকশার মাধ্যমে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সম্মেলন করেছে বলে প্ররাজিত প্রার্থীদের অভিযোগ। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, সম্মেলনের অন্তত তিন দিন পূর্বে উপজেলা নেতৃবৃন্দ কাউন্সিলরদের তালিকা প্রার্থীদের সকল প্রার্থীদের কাছে না দিয়ে শুধুমাত্র নিজের প্রার্থীদের হাতে দিয়েছে। যে কারনে প্ররাজিত প্রার্থীরা স্ব স্ব ভোটারদের নাম না পেয়ে তাদের প্রচারনা করতে পারেনি। যেসক কাউন্সিলরদের তালিকা হয়েছে তার মধ্যে বিএনপি, জামায়াত ও অনুপ্রবেশকারী ভোটার রয়েছে। ইউনিয়নের প্রার্থীরা ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে সুযোগ সুবিদা গ্রহন করেছে।

এছাড়াও নির্বাচন চলাকালিন সময়ে ভিতরে যেসব ভোটার নাম লিখতে পারে না তাদের ভোট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব হেলাল উদ্দিন মিয়াজী ও সাধারন সম্পাদক গাজী মো. মাঈনুদ্দিনের মনোনিত দায়িত্বরতারা তাদের প্রচন্দ্রের প্রার্থীর নাম লালুর যায়গায় কালু লিখে বিজয় সুনিশ্চিত করেছে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাই অচিরেই এসব অনিয়ম বন্ধ না হলে আগামি দিনে হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ফাটল দেখা দিতে পারে। তাই এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক এবং প্রধান সমন্বয়কের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন হাজীগঞ্জ উপজেলার তৃনমূল নেতৃবৃন্দ।

     এই বিভাগের আরোও সংবাদ