শাহরাস্তির বিভিন্ন বাজারে চুরির হিড়িক সতর্কতা ও সচেতনতায় উদ্যোগের অভাব-দৈনিক বাংলার অধিকার

0
40

মাহমুদুল হাসানঃ
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার বিভিন্ন বাজারে চুরির হিড়িক পড়েছে। সতর্কতা ও জন সচেতনতা বৃদ্ধিতে নেই কোনো উদ্যোগ।
যে কারনে প্রতিনিয়তই বাড়ছে বাজারে চুরি ঘটনা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, ইতোমধ্যে উপজেলার বলশীদ বাজারে দুটি ঔষধের দোকানে চুরি হয়। ওই বাজারের ইখতিয়ারউদ্দিন মাসুদের মজুমদার ফার্মেসী ও সুদেব মজুমদারের পলাশ মেডিকেল হল’এ এই চুরি সংগঠিত হয়। ওইদিন গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চোরের দল পিক-আপ গাড়ির মাধ্যমে উক্ত চুরির ঘটনা ঘটায়। এতে উভয় ব্যবসায়ীর প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
অন্যদিকে একই কায়দায় গত ১৯ নভেম্বর মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার রায়শ্রী বাজারে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই বাজারের মেসার্স হক হার্ডওয়ারের মালিক মোঃ বিল্লাল হোসেন, মেসার্স বোরহান স্টোরের মালিক মোঃ বোরহান উদ্দীনের দুটি দোকান, জননী স্টোরের মালিক জহিরুল ইসলাম, লিলি বস্রলয়ের মালিক গনেশ মজুমদার, মেসার্স আবুল খায়ের ট্রেডার্সের মালিক মোঃ আবুল খায়ের, শরীফ ফার্মেসীর মোঃ শরীপ হোসেন, মেসার্স মোল্লা স্টেশনারীর মালিক মোঃ আবুল খায়ের মোল্লার দোকান চুরি হয়েছে। যাদের ক্ষতির পরিমান প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকা।

এব্যাপারে রায়শ্রী বাজার ব্যবসায়ী গনেশ মজুমদার বলেন, আমি এই চুরির ঘটনায় নিঃশ্ব হয়ে গেছি। ঘটনার আগের দিন ১ লক্ষ টাকা লোন নিয়ে দোকানে মালামাল উঠিয়েছি। তারা আমার দোকানের ৬টি তালা ভেঙ্গে এঘটনা ঘটিয়েছে।

বলশীদ বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী মোঃ ইখতিয়ারউদ্দিন মাসুদ বলেন, আমি অনেক কষ্ট করে এখানে এসেছি। আজ চোরের দল আমাকে পথে বসিয়ে দিলো।

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, এমন চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছে। তারা ধারনা করে আরও বলেন, দোকানে চুরির ঘটনাটির সাথে স্থানীয় কোনো ব্যক্তির যোগ-সাজস রয়েছে। নয়তো এমন নিখুঁত ভাবে নিদিষ্ট দোকানগুলোর তালা ভাঙ্গতো না। ঘটনাটি যেন একই বারে দেখে,শুনে এবং জেনেই করেছেন কেউ।
এবিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সুদৃঢ় অবস্থান ও জন সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরলস ভুমিকা পালনের উপর গুরুত্ব আরোপ করার উদ্বাত্ত আহবান জানান তারা।