স্বামী মারা যাওয়ার ১ যুগ পেরিয়ে গেলেও বিধবা ভাতা পাননি রিনা বেগম

0
51

জামালপুর প্রতিনিধি:
স্বামী মারা গেছেন প্রায় ১ যুগ আগে।অনেক সচ্ছল মহিলার ভাগ্যে সরকারি বিধবা ভাতা জুটলেও এই ১ যুগে ছিন্নমূল রিনা বেগমের ভাগ্যে জুটেনি বিধবা ভাতা।মোছাঃ রিনা বেগম মেলান্দহ উপজেলার ৯নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত পশ্চিম ছবিলাপুর গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিন মন্ডলের স্ত্রী।২০০৯ সালে হেলাল উদ্দিন মন্ডল দুই মেয়ে ও দুই ছেলে রেখে না ফেরার দেশে চলে যান।সহায়-সম্পদ বলতে তেমন কিছু রেখে যায়নি।স্বামীর মৃত্যুর পর বিধবা রিনা বেগম নাবালক ছেলে-মেয়েদের বুকে আঁকড়ে ধরে এই ১২ বছর যাবৎ অতি কষ্টে মানবেতর জীবনযাপন করছে।সন্তানদের কখনো বাবার অভাব বুঝতে দেয়নি বিধবা রিনা বেগম।
এ ব্যাপারে সম্প্রতি কথা হয় বিধবার বড় মেয়ে মোছাঃসাথী আক্তারের সাথে।সে জানায়,তার মা বিধবা ভাতা কার্ডের জন্য নিজ ওয়ার্ডের সাবেক ও বর্তমান মেম্বার এবং গ্রাম সমাজপতিদের কাছে বহুবার দেন দরবার করেছে।কিন্তু আজও তার মায়ের ভাগ্যে জোটেনি বিধবা ভাতা কার্ড।বিধবা রিনা বেগম নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়,আমাদের গ্রামের বেশ কয়েক জন সচ্ছল বিধবা মহিলা ভাতা পায়।কিন্তু ভাতা পাই না শুধু আমি।তবে উল্লেখিত এই,বিধবা রিনা বেগম বিধবা ভাতা না পাওয়ার বিষয়টি আজো পর্যন্ত ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে দাখিল করেনি।চেয়ারম্যানের কাছে দাখিল না করার কারণ জানতে চাইলে ওই বিধবা রিনা বেগম জানায়,মেম্বার ও সমাজপতিদের ধারে ধারে ঘুরতে ঘুরতে হয়রান হয়ে গেছি।তাই রাগ করে চেয়ারম্যান সাহেব কে জানাই নি।সংসার জীবনে সামান্য একটু সচ্ছল ভাবে জীবন যাপনের জন্য রিনা বেগম একটি বিধবা ভাতা কার্ড করে দেয়ার জন্যে ইউপি চেয়ারম্যান কে জোর দাবি জানিয়েছে।এ বিষয়ে ওয়ার্ডের মেম্বার রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি কার্ড করে দেয়ার আশ্বাস দেন।ঘোষেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমানের জানান,রিনা বেগমের স্বামী মারা যাওয়ার বিষয়টি আমার জানার বাইরে ছিল।এবার বিধবা ভাতা কার্ড এলে করে দেব।