বাঁকড়া কপোতাক্ষ ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবার নামে চলছে বাণিজ্য

0
73

শাহারিয়ার হুসাইন : যশোর জেলা প্রতিনিধি : যশোরের ঝিকরগাছার বাঁকড়া পারবাজার কপোতাক্ষ ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবার নামে চলছে গলাকাটা বাণিজ্য। ফলে সাধারণ মানুষ টাকা খরচ করেও উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্বীকার হচ্ছেন ভুল ও অপচিকিৎসার। জানাগেছে, যশোরের ঝিকরগাছার বাঁকড়া পার-বাজারে বাঁকড়া মাটশিয়া এলাকার জৈনক আব্দুর রশিদ সুচিকিৎসা দেওয়ার নামে অবৈধ ভাবে গড়ে তুলেছেন কপোতাক্ষ ক্লিনিক।তিনি এ ক্লিনিক খুলে বসে এলাকার সহজ সরল নিরীহ রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। আর এই হাসপাতালটি চলছে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকতাদের মোটা অংকের মাসোহারা দিয়ে। ফলে সাধারণ মানুষ টাকা খরচ করেও উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্বীকার হচ্ছেন ভুল ও অপচিকিৎসার। নাম সর্বস্ব এ ক্লিনিকে বছরে অর্থ বানিজ্য হচ্ছে কোটি টাকা। বাংলাদেশ সরকারের দি মেডিকেল প্রাকটিস এন্ড প্রাইভেট ক্লিনিক ল্যাবরেটরীজ রেজুলেশন অডিন্যন্স ১৯৮২ মোতাবেক বেসরকারী ক্লিনিকে যে সব জনবল, চিকিৎসা যন্ত্রাংশ এবং পরিবেশ বজায় থাকার কথা এ ক্লিনিকে তার লেশ মাত্র নেই। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দশ বেডের জন্য অনুমতি থাকলেও এ ক্লিনিকে রয়েছে ৪০টি বেড। যা আইনত দণ্ডনীয়। এ ক্লিনিকে মারাত্মক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা আর অস্বাস্থ্যকর অবস্থার করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। নেই সিনিয়র স্টাফ-নার্স। প্রতান্ত গ্রাম অঞ্চল থেকে পেটে ভাতে মেয়েদের রেখে তাদেরকে দিয়ে চলে সিনিয়র স্টাফ নার্সের কাজ। এই ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটরের অবস্থা আরও শোচনীয়। অপারেশনের জন্য প্রয়োজনী যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও আলোর ব্যবস্থা নেই। অথচ এখানে চলছে বড় বড় সব অপারেশন। ফলে রোগী ক্লিনিক ত্যাগ করলেও পরবর্তীতে নানা জটিলতায় ভুগে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। এসব অব্যবস্থা অনিয়ম অস্বাস্থ্যকর ভুল ও অপচিকিৎসার বলি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অথচ মোটা অংকের টাকা পেয়ে নিশ্চুপ রয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। এ ব্যাপারে কপোতাক্ষ ক্লিনিকের সত্তাধীকারী আব্দুর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অব্যবস্থা ও অনিয়মের বিষয়টি দেখার দায়িত্ব সিভিল সার্জন, টিএইস আই ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের, আমি আপনাদের এ ব্যাপারে কিছু বলবো না।