আজ ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং

রায়পুরে দু’গ্রামের মানুষের ভরসা ১টি মাত্র বাঁশের সাঁকো-দৈনিক বাংলার অধিকার  

 

মো: আবদুল কাদের,দৈনিক বাংলার অধিকার,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুরে দু’গ্রামের মানুষের চলাচলের ভরসা হচ্ছে একটি মাএ বাঁশের সাঁকো। প্রতিদিন এ সাঁকো দিয়ে দু’গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে জেনেও প্রশাসন নিচ্ছেন না কোনো ব্যবস্থা।
তথ্যমতে, রায়পুর উপজেলা ১০ নং ইউনিয়ন চরপলোয়ান ও চরমুররী দু’গ্রামের বসবাসরত মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে ডাকাতিয়া নদীর উপর একটি বাঁশের সাঁকো। এই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা পড়–য়া শত শত শিক্ষার্থী আসা যাওয়া করে।
এ ছাড়াও দু’গ্রামের সাধারণ মানুষ অসুস্থ্য হলে অনেক কষ্টে করে এ সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে হয়। প্রতিনিয়ত অনেক স্কুল কলেজ ও মাদরাসা শিক্ষার্থী এ সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় হাত-পা ফসকে পড়ে গিয়ে মারাত্মক আহত হয়েছে।
এদিকে, চরমুররী গ্রামে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় চরপলোয়ান ও জনকল্যাণ স্কুল’সহ রায়পুরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার জন্য আসতে হয়। বর্ষা মৌসুমে ঝড় বৃষ্টিতে সাঁকোটি পিচ্ছিল এবং সরু হওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পাঠদান থেকে বিরত থাকাতে এ অঞ্চলের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষা অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
উপজেলার চরমুররী গ্রামের সকল মানুষ রায়পুর কেন্দ্রিক। কারণ চরমুররী গ্রামের চারপাশে ডাকাতিয়া নদী, যাতায়াত ব্যবস্থা হিসেবে রয়েছে একটি সাঁকো, প্রসূতি মা-বোনেরা’সহ গুরুতর রোগীরা চিকিৎসা নিতে পারছেনা। যার ফলে অনেক রোগীর চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু বরণ করেন অকালে।
রায়পুর উপজেলার চরমুররী গ্রামে বসবাসরত বেশিরভাগ মানুষ ১০ নং রায়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তারা সকলেই কৃষিনির্ভর পেশা শ্রেণির মান্ষু। তাদের উৎপাদিত কৃষিজাত পণ্য কাঁচামাল আনা নেওয়ার ভালো ব্যবস্থা না থাকায় তারা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এমতবস্থায়, দু’গ্রামের মানুষের কথা বিবেচনা করে কংক্রিট ব্রিজ, কাঠের ব্রিজ বা অন্তত একটি ভাসমান ড্রামের ব্রিজ নির্মাণ করে হলেও দু’গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষগুলো যেনো দুঃখ-দুর্দশা থেকে রক্ষা পায় সে জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য: অতি কম খরচে প্রস্তাবিত এ নমুনায় দৃষ্টিনন্দন ড্রামের ব্রিজ করলে একটি পর্যটন এরিয়াও হয়। টেকসই ভাসমান ড্রামের ব্রিজ নির্মাণ করলে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও অসুস্থ্য রোগী’সহ সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।

     এই বিভাগের আরোও সংবাদ

আর্কাইভ