আজ ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং

জনদূর্ভোগের অপর নাম বাজুয়া- দিগরাজ খেয়া ঘাট-দৈনিক বাংলার অধিকার

স্বপন কুমার রায়,খুলনাব্যুরো,দৈনিক বাংলার অধিকার:
খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার বাজুয়া খুটাখালী বাজার খেয়াঘাট ও অপর পারে বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার দিগরাজ খেয়াঘাট দুপারের লক্ষাধীক মানুষের পারারপারে ঘাটের যাত্রিদের জনভোগান্তির একটি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপর হয়ে পড়েছে।
জাতীয় ও স্হানীয় নেতা নেত্রীদের সবসময় চোখে পড়লেও মানবতার চোখে পড়েনি গত কয়েক বছরের এমন নিত্য দিনের নিদারুন দৃশ্য।সবাই আখের গছানোর তালে ব্যাস্ত,জনগনের কিহলো নাহলো তা দেখার অবকাশ নেই জনপ্রতিনিধিদের, কেবল মাত্র আশ্বাসের বানী শুনিয়ে সন্তুষ্ট রাখাই তাদের মুখের বুলি। উপজেলা প্রশাষন ও দেখেও দেখেনি কোন দিন,জনসার্থ উপক্ষা করে ব্যাবসাকেই বড় করে দেখছে সবাই।
এটা ওপেন সিক্রেট বলে বিবেচিত যে ঘাট ডাক, ম্যানেজমেন্ট নিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট আছে দীর্ঘ দিন ধরে। এই রকম ঘাট ডাক নিয়ে দাপুটে গ্রুপ দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও জীবনহানীর ঘটনাও এদেশে আগে পরে ঘটেছে যা গন মাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসী অবগত। ঘাটে যাত্রী ভোগান্তি নয় শুধু জুলুম করে বাড়তি টাকা নেওয়া, জলদী খেয়ার নামে সীমাহীন ব্যবসা আজও বন্ধ হলনা।অথচ নির্বাচনের আগে নেতা নেত্রীদের জনসেবার নামে মিথ্যা আশ্বাসবাণী ধুয়াশার রয়ে গেলো।

তবে এটা কি অসহায় জনগনকে জিম্মি করে ওনাদের দেওয়া মায়া কান্না আর জনকল্যানকর অসাধারণ আশ্বাসের বাস্তবিক সেবা? খুলনার দাকোপের বাজুয়া খুটাখালী- দিগরাজ খেয়া ঘাটটি আন্ত জেলা অন্তভুক্ত হওয়ার দরুন ঘাটটির সংস্কার এর কোন উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছেনা।ঘাট টির একপারে খুলনা জেলার দাকোপের বাজুয়খুটাখালী খেয়া ঘাট অন্য পার বাগেরহাট জেলার দিগরাজ খেয়াহাট । যদিও এই পারাপারের ঘাটটি আন্তজেলা অন্তভুক্ত হওয়ার দরুন বিভাগীয় কমিশনার খুলনার কার্য্যলয় থেকে দরপত্তের মাধ্যমে প্রতিবছর ইজারা প্রদান করা হয় কিন্তু এ বছর অতিরিক্ত মুল্যবৃদ্ধি হওয়ার দরুন দরপত্র আহবানে কেউ অংশ নেইনি এ কারনে বিভাগীয় কমিশনার অফিস থেকে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্যবস্হা গ্রহন করতে চিঠি প্রদান করেন ফলে ঘাটটি দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কার্য্যলয় থেকে ডাকের মাধ্যমে বা খাস আদায় চলছে।ইতিমধ্যে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃআবদুল ওয়াদুদ সরোজমিনে খেয়াঘাটের দুপারে পরিদর্শন করেছেন। এই ঘাট দিয়ে একটি অংশের লক্ষধিক মানুষ জেলাশহর খুলনা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করে থাকে।
জরুরী মুমুর্ষ রোগী, বৃদ্ধ শিশু নারী চলাচলে কতটা দূর্ভোগ পোহাতে হয় তারই বাস্তবচিত্র এটি। জোয়ার এলেই প্লাবিত হয় এই ঘাট এলাকা। পানির মাঝে মোটর সাইকেল গুলো নিরুপায় হয়ে অনুমান নির্ভর চলতে গিয়ে অনেক সময় ভাঙাচোরা ভাঙ্গা বাসের তৈরী সিড়ি দিয়ে উঠা নামা করতে গর্তের মাঝে পড়ে যায় এমন কি ভাটার সময় মহিলা পুরুষ দের হাটু পযন্ত কাপড় উঠিয়ে ট্রলারে উঠতে এর ফলে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে দূর্ঘটনা। জনগুরুত্বপূর্ন এই ঘাটের সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ঘাট ব্যবহার কারী ভুক্তভোগী জনমানুষ।

     এই বিভাগের আরোও সংবাদ

আর্কাইভ