নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্বসাৎ দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

0
725

নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্বসাৎ দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

দৈনিক অনাকান্তির কন্ঠ,
বগুড়া জেলা,প্রতিনিধিঃ

বগুড়ার নন্দীগ্রাম সদরে মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্বসাৎসহ দূর্নীতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে ও বিভিন্ন দপ্তর বরাবরে ২৮জন শিক্ষক কর্মচারীরা অধ্যক্ষ সিরাজুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করেছেন ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত অত্র প্রতিষ্ঠানটি নানা বাধা বিপত্তি পেরিয়ে দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যক্ষ হিসেবে সিরাজুল ইসলাম যোগদান করার পর নন্দীগ্রামের জনসাধারণ আশায় বুক বেধেছিলেন, প্রতিষ্ঠানটির উত্তরোত্তর উন্নয়ন হবে বলে কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, জনসাধারণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলনতো হয়নি বরং ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকদের সাথে আজ আমরা শিক্ষক কর্মচারীরা হতাশ এবং ক্ষুদ্ধ। তাই জরুরী ভাবে বর্তমানে অযোগ্য অধ্যক্ষ সিরাজুলের অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, অর্থআত্বসাৎ, ছলচাতুরী ও অযোগ্যতার হাত থেকে কলেজটিকে রক্ষার জন্য আমজনতার কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। শিক্ষক, কর্মচারীরা আরও উল্লেখ করেছেন অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামের কারণে কলেজটি জাতীয় করণ হয়নি। জাতীয় করণের লক্ষে শিক্ষক কর্মচারীর কাছ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা আদায় করে নেয় কিন্তু টাকা ফেরৎ পাওয়া যায় নি। কলেজের অভ্যন্তরিন হিসাব নিকাশ ও কলেজ সমস্ত আয়-ব্যয় তার ইচ্ছামত ব্যবহার করে। দীর্ঘদিন ধরে অধ্যক্ষের নিজস্ব লোক দ্বারা নিরক্ষন কমিটি গঠন করে ভূয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে কলেজের টাকা আত্বসাৎ করে। জাতীয় দিবস সমূহে ২৬শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বর, ২১শে ফেব্র“য়ারী, ১৫ই আগষ্ট কলেজে উপস্থিত না থেকে ঢাকায় অবস্থান করে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আখতারের সাথে কথা বললে, তিনি বলেন বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।